যাত্রাবিরতি ছাড়াই অস্ট্রেলিয়া থেকে যুক্তরাজ্য পর্যন্ত একটানা উড়ে যাবে কোয়ানটাসের বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের উড়োজাহাজটি। বিবিসি জানিয়েছে, দীর্ঘ ১৪,৪৯৮ কিলোমিটার (৯,০০৯ মাইল) পথ অতিক্রম করতে কিউএফনাইন (QF9) ফ্লাইটের সময় লাগবে ১৭ ঘণ্টা।
ব্যতিক্রমধর্মী এই উদ্যোগ সম্পর্কে বলা হচ্ছে, কোয়ানটাসের বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলটির জ্বালানি দক্ষতা বোয়িং ৭৪৭ মডেলের চেয়েও দ্বিগুন।
Passengers in Perth are preparing for the first non-stop flight from Australia to the UK, which will last 17 hours. ????
Look at how it compares to the original ‘kangaroo route’ ✈#5liveBreakfast pic.twitter.com/t03l9YLw6G
— BBC Radio 5 live (@bbc5live) March 24, 2018
অতি দীর্ঘ সময় ধরে একটানা চালিয়া যাওয়ার পরিকল্পনা কোয়ানটাস কোম্পানির জন্য এক ধরণের চ্যালেঞ্জ।
উদ্বোধনী ফ্লাইটের আগের একটি অনুষ্ঠানে উড়োজাহাজ কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যালান জয়েস নতুন এই সার্ভিসকে ‘গেম পরিবর্তনকারী রুট’ বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘কেঙ্গারু রুট’ নামে পরিচিত অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে কোয়ানটাসের যে ফ্লাইটি ছিল সেখানে সময় লাগত চারদিন। আর যাত্রা পথে সাতটি স্টপে থামত উড়োজাহাজ।
ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার সরকার আশা করছে সরাসরি বিরতীহীন এই রুটের ফলে পর্যটক সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে অস্ট্রেলিয়ায়।
ঐতিহাসিক এই ফ্লাইটে ২০০ জন যাত্রী এবং ১৬ জন ক্রু ধারণ করে। শনিবার স্থানীয় সময় ৬ টা ৪৯ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার বিমান বন্দর থেকে ছেড়ে যায়। এবং পৌঁছাবে যুক্তরাজ্যের হিথ্রো বিমানবন্দরে।
কিন্তু টানা ১৭ ঘণ্টা ধরে যাত্রার সময় যাত্রীদের যাতে কোন ভোগান্তির মধ্যে পরতে না হয় তাই ব্যবস্থা করা হয়েছে উন্নত শীততাপনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। এছাড়াও রয়েছে সর্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ-যেখানে থাকবে খাওয়ার নির্দেশনা, জলবিদ্যুৎ এবং যাত্রীদের মানসিক অবস্থাও।
সিডনি ইউনিভার্সিটির গবেষণায় বলা হচ্ছে যে, এটাই বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম বিমান রুট। এর আগে কাতার এয়ার ওয়েস দোহা থেকে অকল্যান্ড পর্যন্ত ১৪,৫২৯ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রা শুরু করে।







