রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কোনো অপরাধীরা গ্রেফতার না হওয়ায় অষ্টম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারীরা।
এদিন ইংরেজী বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে কালো ব্যাজ ধারণসহ নানা কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা ও কর্মচারীরা।
শিক্ষক হত্যা মামলা আরো ২ জনসহ মোট ৫ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ ।
শনিবার সকাল থেকে শিক্ষক সমিতি সিনেট ভবনের সামনে ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও শিক্ষরা মৌন মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করছে।
হত্যাকাণ্ডের বিচারে এবং সকল শিক্ষকের নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে সমাবেশে শিক্ষকরা বলছেন, আমাদের এ আন্দোলন একটি পর্যায়ে নিয়ে যেতে সমস্ত সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষার্থীদের এক করা হচ্ছে এবং আন্দোলন আরো বেশি জোরদার যাতে করে সরকার এ হত্যার দ্রুত বিচার করতে বাধ্য হয়।
অধ্যাপক রবিউল ইসলাম বলেন, এত বড় দুর্ঘটনার পর আমরা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হিসেবে
চাই আমাদের সহকর্মী হত্যার বিচার। এবং আমরা সেভাবেই আন্দোলন চালিয়ে
যাচ্ছি।
খুনিদের পরিচয় ও সনাক্তকরণের জন্য সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন রাজশাহী পুলিশ কমিশনার মো. শামসুদ্দিন।
তিনি বলেন, গতকাল অধ্যাপক সিদ্দিকীর হত্যার ঘটনায় আরো দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে।
যারা হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদের পরিচিতি এবং অবস্থান সনাক্ত করার জন্য যখন যেখানে যতটুকু তথ্য পাওয়া যাচ্ছে সব গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তাছাড়া ওইদিন হত্যার সময় প্রত্যক্ষদর্শী যারা ছিলেন তারা যদি তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করলে তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা পুলিশ করবে।
গত শনিবার মহানগরীর শালবাগান এলাকায় নিজ বাসভবনের কাছে শিক্ষক রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।








