চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সেমিতে না যেতে পারায় ৫-ও যা, ৮-ও তাই!

সবার আগে বেরোলেন তামিম ইকবাল। তাকে ধরা-ছোঁয়ার সাধ্য হল না কোনো সংবাদকর্মীর। কোনো কথা না বলে বাঁহাতি ওপেনার সোজা উঠে গেলেন গাড়িতে। কিছুক্ষণ বাদে এলেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। এসে বললেন, সেমির লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় পয়েন্ট টেবিলে কী অবস্থায় বিশ্বকাপ শেষ করেছে বাংলাদেশ সেটা মোটেও মূখ্য নয়!

রোববার বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় ১১ সদস্যের বাংলাদেশ দল। ব্যক্তিগত কারণে দলের সঙ্গে আসেননি সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, সাব্বির রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তারা আসবেন আর কিছুদিন পর।

বিজ্ঞাপন

একসঙ্গে এলেও মাশরাফী ছাড়া বাকিরা কেউই মুখ খোলেননি। সবার অভিব্যক্তি একইরকম। ভীষণ রকম থমথমে, বিষণ্ণ। দলের হয়ে যা বলার বলে গেলেন কেবল কাণ্ডারী মাশরাফী একাই। বাকি সবার মনের অবস্থা কী সেটা টের পাওয়া গেল অধিনায়ককে দেখেই। কারণটা সহজেই অনুমেয়। যেখানে সুযোগ ছিল সেমিফাইনাল খেলার সেখানে দেশে ফিরতে হয়েছে অষ্টম স্থানে থেকে। দশ দলের আসরে তলানি থেকে দুই দল উপরে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপটা অন্তত পাঁচে থেকে শেষ করতে পারলে ভালো হত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মাশরাফী বললেন, ‘পাঁচে যাওয়ায় সুযোগ ছিল কেবল শেষ ম্যাচে। এরআগে সেমিতে যাওয়ার সুযোগ ছিল আমাদের। হয়ত শেষটা জিতলে পঞ্চম হতে পারতাম কিংবা অন্যকিছুও হতে পারত। বিষয়টা অন্যভাবে যদি চিন্তা করে দেখেন, তাহলে বিশ্বকাপের মানে সেখানেই শেষ।’

হাতেগোণা কয়েকজন ক্রিকেটার, বিশেষত সাকিব আল হাসান ছাড়া বাকীরা সেভাবে কেউই জ্বলে উঠতে পারেননি। নাম ধরে ধরে পারফর্মারদের প্রশংসা করলেন ম্যাশ। বললেন, অধারাবাহিকতা আর ভাগ্যকে পাশে না পাওয়ায় ফলটা হয়নি আশানুরূপ, ‘সাকিব ছিল অসাধারণ। সাকিব-মোস্তাফিজ, মুশফিক-সাইফউদ্দিনরা অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে। বাকি যারা ছিল, তাদের পারফরম্যান্স ছিল আসা-যাওয়ার মাঝে।’

‘যে আশা নিয়ে গিয়েছিলাম সেটা অবশ্যই হতাশার। ভারত ম্যাচের আগপর্যন্ত সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ ছিল। তারপরও কিছু যদি-কিন্তু ছিল। সাকিব-মুশফিক ছাড়া বাকি খেলোয়াড়দের ধারাবাহিকতায় অভাব ছিল। সবারটা হয়ত সমান ছিল না। কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় ভাগ্য সহায় হয়নি। একটা সপ্তাহ গেছে বৃষ্টিতে, যাতে শুধু আমরাই ক্ষতিগ্রস্ত হইনি অন্য দলও সুবিধা পেয়েছে।’

Bellow Post-Green View