চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সেন্সর পেয়েও যে কারণে ঈদে মুক্তির লড়াইয়ে নেই ‘বান্ধব’

‘প্রতিযোগিতার জন্য নয়, প্রচুর দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতেই বহু কষ্টে ‘বান্ধব’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছি। তাই ঈদের আগেই সেন্সর ছাড়পত্র পেয়ে গেলেও কোনো প্রতিযোগিতায় যাচ্ছি না। ঈদের কয়েক সপ্তাহ পর প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি দিতে চাই।’

নিজের প্রথম পরিচালিত ছবি নিয়ে এভাবেই বলছিলেন সুজন বড়ুয়া। শতভাগ মৌলিক এবং বাস্তব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্র ‘বান্ধব’। ডাস্টবিনের মধ্যে কুড়িয়ে পাওয়া জন্ম পরিচয়হীন একটি মেয়ের শৈশব, কৈশোর, বেড়ে ওঠা থেকে যৌবনে পা ফেলার পর সমাজের পদে পদে যেসব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয় তাকে, ওইসব গল্পই উঠে এসেছে ‘বান্ধব’-এ। গল্প নিয়ে নির্মাতা নিজেই এমন ধারণা দিলেন।

বিজ্ঞাপন

চ্যানেল আই অনলাইনকে এই নির্মাতা বলেন, ‘বান্ধব’ চলচ্চিত্রটির মূল চরিত্র গল্প। আমাদের দেশে নায়ক-নায়িকা নির্ভর ছবি হয়। গল্প নির্ভর ছবি কম হয়। প্রচলিত ফর্মুলা থেকে বেরিয়ে ‘বান্ধব’ নির্মাণ করেছি। কোনো শিশু জন্মের পর জারজ হয় না। জন্মের পর যারা কিনা সন্তানের পরিচয় দিতে লজ্জা পায় বা ভয় পায়, দায়িত্ব নিতে চায় না তারাই জারজ।

নির্মাতার সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ইতোমধ্যে সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে ‘বান্ধব’। ঈদের দু-তিন সপ্তাহ পরেই চলচ্চিত্রটি মুক্তি দিতে চান নির্মাতা। সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বললেন, তাড়াহুড়ো করে ছবি মুক্তি দিতে চাইনা। অনেক শ্রম দিয়ে ছবি বানিয়েছি। মানুষকে দেখাতে চাই।

এই নির্মাতা আরো বলেন, যে গল্পটা বলতে চেয়েছি সেটা যেন দর্শক নিতে পারে। আমাদের দেশের কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে চলচ্চিত্র হচ্ছে। আমার ছবির বাজেট হয়তো কোটি টাকা না, কিন্তু আমি চেষ্টা করেছি একটা ভালো গল্প দেখাতে। চরিত্রের জন্য যেসব শিল্পী প্রয়োজন তাদের নিয়ে কাজ করেছি। প্রতিটি ব্যবসার পিছনে সফলতা জিনিসটা মাথায় থাকে। কিন্তু আমার প্রয়োজক বলেছেন, তিনি গল্পের প্রেমের পড়ে ‘বান্ধব’-এ বিনিয়োগ করেছেন। কতোটা ব্যবসা করবে সেটা নিয়ে মাথাব্যথা নেই। মূল দায়িত্ব, মৌলিক ছবি দর্শকদের উপহার দেয়া।

‘বান্ধব’ চলচ্চিত্রের যে মেয়েটিকে ঘিরে গল্প সেই চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌ খান। তিনি বলেন, আমি নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছি। নায়িকা নয়, একজন পরিণত অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করেছি। আমার অল্পদিনের ক্যারিয়ারে এই কাজটা যে কতো চ্যালেঞ্জিং ছিল তা বলে বোঝাতে পারবো না।

মৌ খান ছাড়াও অভিনয় করেছেন গাজী রাকায়েত, রেবেকা রৌফ, জয় রাজ, প্রয়াত  সিরাজ হায়দার, সুমিত, আসমা, হাবিব খান, আন্না, শায়লা, উর্মি, আরফান প্রমুখ।

Bellow Post-Green View