চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মন্ত্রীদের সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বৈঠক আজ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরের দিন বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী ব্রিটেনের পার্লামেন্টের হাউজ অব কমন্সে ভাষণ দেবেন বরিস জনসন। তবে তার আগে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের সাথে প্রথম বৈঠক করবেন তিনি।

রক্ষণশীল দলের এই নেতার ক্ষমতা গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত ১৭ জন মন্ত্রী বরখাস্ত হয়েছেন কিংবা পদত্যাগ করেন। রদবদলে জনসন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই মিলেছে ২১ জনের। যার মধ্যে নতুন মুখ ৬ জন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে বুধবার শপথের পর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে প্রথম ভাষণে ৩১শে অক্টোবরের মধ্যেই ব্রেক্সিট সম্পন্ন করার ঘোষণা দেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।

ভাষণ শেষে ডাউনিং স্ট্রিটে কর্মরতদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বরিস জনসন। এরপর মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের দপ্তর বন্টন করেন। তাদের মধ্যে সাজিদ জাভিদকে চ্যান্সেলর, প্রীতি প্যাটেলকে স্বরাষ্ট্র ও ডমিনিক রবকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া স্টিফেন ব্যারক্লেকে ব্রেক্সিট বিষয়ক, মিশেল গোভকে ডচি ল্যানকাস্টার চ্যান্সেলর, বেন ওয়ালেসকে প্রতিরক্ষা, লিজ ট্রুসকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, ম্যাট হ্যানকককে স্বাস্থ্য ও সামাজিক তত্ত্বাবধান, থেরেসা ভিলিয়ার্সকে পরিবেশ, গেভিন উইলিয়ামসনকে শিক্ষা, নিকি মরগ্যানকে সংস্কৃতি, আন্দ্রে লিডসমকে বাণিজ্য, রবার্ট জেনরিককে বাসস্থান ও সমাজ, অ্যাম্বের রুডকে ওয়ার্ক এন্ড পেনশন ও নারী এবং সমতা, রবার্ট বাকল্যান্ডকে বিচার, অলোক শর্মাকে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন, গ্র্যান্ট শাপসকে পরিবহণ, অ্যালুন কেয়ার্সকে ওয়েলস, অ্যালিস্টার জ্যাককে স্কটিশ, জুলিয়ান স্মিথকে নর্দান আয়ারল্যান্ড এবং ব্যারনেস ইভান্সকে লিডার অফ লর্ডস এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই জনসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নেমেছে দেশটির বিভিন্ন সংখ্যালঘু গোষ্ঠী, নারীবাদী, মুসলিম ও সমলিঙ্গীয়রা।

বরিস জনসনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিশ্বনেতারা।

ব্রেক্সিট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে’র সঙ্গে মতপার্থক্যে গত বছর জুলাইয়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন জনসন। এরপর গত ২৪ মে পদত্যাগের ঘোষণা দেন টেরেসা।

Bellow Post-Green View