এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জের সোনাশুরে বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মাইক্রোবাস চালকসহ ২জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরের পর গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাশুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়ে যাত্রীরা।
গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহম্মেদ ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মাইক্রোবাস চালকের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন— গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার আব্দুল করিম (২৮), কোটালীপাড়া উপজেলার হালিম শেখ (৫৮), আজিজুর রহমান (৪৫), ফাতেমা (৪২), তাহসিনা (২০), রিফাত আলী (২০), মামুন দাড়িয়া (৪২) এবং প্রাইভেটকার চালক খুলনার ছোট বয়রার রাব্বি (২৯)।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কোটালীপাড়াগামী ‘কোটালীপাড়া স্টার এক্সপ্রেস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস সোনাশুর এলাকায় পৌঁছে সামনে থাকা আরেকটি বাসকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তখনই পেছন থেকে আসা একটি প্রাইভেটকার সজোরে মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
অন্যদিকে মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার দুমড়ে-মুচড়ে সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মাইক্রোবাসের চালক।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাদের গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। গুরুতর আহত ১৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তির পর আরও একজন মারা যায়। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ উদ্ধার কাজ শেষে যান চলাচল স্বাভাবিক করলে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘন্টা পর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়।
অন্যদিকে, ঢাকা-খুলনা মহাড়কের পুলিশ লাইন মোড়ে সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে পৌর টোল আদায়ের সময় ট্রাকচাপায় রাজ নামে এক যুবক নিহত হয়।







