চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল

ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর ৭০ শতাংশ শুল্ক বাড়ালেও দেশীয় বাজারে এখনো কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। তবে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদের আগের বাজারে দামের ঝাঁঝ বোঝা যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কাওরান বাজারের পেঁয়াজের আড়ৎগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাইকারী বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৪২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

ভারতের রপ্তানি শুল্কের কারণে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কাওরান বাজার কাঁচা বাজারের পেঁয়াজের আড়ৎদার আব্দুর রশিদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, বর্তমানে এর প্রভাব বাজারে পড়বে না। এ জন্য দশ পনের দিন সময় লাগতে পারে।

এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, সাধারণত যে এলসি খোলা হয় তার পেমেন্ট আমরা একমাস আগেই করে থাকি। তাই তাদের রপ্তানী শুল্ক বাড়ায় বর্তমানে দামের কোনো সমস্যা হবে না।

বিজ্ঞাপন

পাশের আরেক আড়ৎদার সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি ভারতের পেঁয়াজের ব্যবসা করি না। তবে ওদের রপ্তানী শুল্ক বাড়ায় আমদানি করা পেঁয়াজের পাশাপাশি দেশি পেঁয়াজেরও দাম বেড়ে যাবে।

দেশের পাইকারী বাজারগুলোর অন্যতম শ্যাম বাজার। সেখানকার ব্যবসায়ী আজিজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পেঁয়াজের দাম বাড়েনি।

ভারত হঠাৎ করেই পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৭০ শতাংশ শুল্ক বাড়িয়েছে। কারণ হিসেবে বার্ষা মৌসুমে ফলন ব্যাহত হওয়ায় নিজেদের চাহিদা মেটাতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। এর ফলে টন প্রতি পেঁয়াজ আমদানিতে ১৭৫ ডলার বেশী দিতে হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ২০ থেকে ২২ লাখ টন। এর মধ্যে দেশে উৎপাদিত হয় প্রায় ১৩-১৪ লাখ টন। বাকি ৬-৭ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। যার সিংহভাগ আসে ভারত থেকে।

Bellow Post-Green View