আন্তর্জাতিক

‘নোবেল জয়ী’ বলকৃষ্ণা দোশির স্থাপত্যকর্ম

‘নোবেল জয়ী’ বলকৃষ্ণা দোশির স্থাপত্যকর্ম

স্থাপত্যের নোবেল খ্যাত ‘প্রিটজকার প্রাইজ’ জয় করেছেন স্থপতি বলকৃষ্ণা দোশি (৯০)। এই প্রথম কোন ভারতীয় হিসেবে স্থাপত্যের সর্বোচ্চ সম্মানজনক পুরস্কার পেলেন তিনি।

স্বল্প মূল্যের আবাসন নিয়ে কাজের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত দোশির রয়েছে ৬ দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ার। স্বাধীনতা পরবর্তী ভারতের সবচেয়ে প্রভাবশালী এই স্থপতি, আন্তর্জাতিক নীতির সাথে স্থানীয় প্রথার মিশ্রণ ঘটানোর জন্য জনপ্রিয়।

প্রিটজকার জুরি জানায়: ‘বলকৃষ্ণা দোশি সবসময় এমন স্থাপত্য নির্মাণ করেন যা গুরুত্বপূর্ণ, চটকদার নয় বা প্রচলনকে অনুসরণ করে না।’

প্রিজকার পুরস্কার পাওয়ার পর প্রবাদপ্রতিম স্থপতি জাহা হাদিদ, ফ্র্যাঙ্ক গেহরি, আই এম পেই, শিঙ্গেরু বানের সাথে তার নাম যুক্ত হল।

মুম্বাইয়ের জে জে স্কুল অফ আর্কিটেকচারে স্থাপত্যবিদ্যায় পড়াশোনা শেষে তিনি প্যারিসে ফ্রান্সের কিংবদন্তি স্থপতি লা করবুসিয়রের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেন।

বলকৃষ্ণা দোশির স্থাপত্যকর্ম:

আহমেদাবাদের সিইপিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্য স্কুল অব আর্কিটেকচার। দোশির নির্মিত সবচেয়ে জনপ্রিয় ভবনগুলোর একটি।
আহমেদাবাদের সিইপিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্য স্কুল অব আর্কিটেকচার। দোশির নির্মিত সবচেয়ে জনপ্রিয় ভবনগুলোর একটি।
১৯৭৩ সালে দোশির ডিজাইন করা দ্য লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনের আবাসনের ভবন
১৯৭৩ সালে দোশির ডিজাইন করা দ্য লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনের আবাসনের ভবন
মানসম্পন্ন ও সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন ব্যবস্থা করতে দোশির লক্ষ্যের বাস্তবায়ন ইন্দোরের এই প্রকল্প
মানসম্পন্ন ও সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন ব্যবস্থা করতে দোশির লক্ষ্যের বাস্তবায়ন ইন্দোরের এই প্রকল্প
বেঙ্গালুরের বিখ্যাত দ্য ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট
দ্য ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট
আহমেদাবাদের আন্ডারগ্রাউন্ড আর্ট গ্যালারি দ্য আমদাভাদ নি গুফা
আহমেদাবাদের আন্ডারগ্রাউন্ড আর্ট গ্যালারি
দোশির নিজ বাসা, কমলা হাউজ, ১৯৫৯ সালে নির্মিত
দোশির নিজ বাসা, কমলা হাউজ। ১৯৫৯ সালে নির্মিত
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…