চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: চীনা বিজ্ঞানীদের কার্যকর ওষুধ আবিষ্কারের দাবি

ভ্যাকসিন ছাড়াই শুধু ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মহামারী রূপ নেওয়া করোনাভাইরাস দূর করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল বিজ্ঞানী।

এই ওষুধটি প্রাণিদের ওপর প্রয়োগে ইতোমধ্যে সাফল্য পেয়েছে। এই বছরের শেষ নাগাদ ওষুধটি সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারবে।

বিজ্ঞাপন

গবেষকদের তথ্য মতে, এই ওষুধটি করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীকে দ্রুত সময়ে সুস্থ করা ছাড়াও স্বল্প সময়ের জন্য এই ভাইরাস থেকে মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। ভাইরাসের সংক্রামক সেল প্রতিরোধে এই ওষুধটি শরীরের নিরপেক্ষ অ্যান্টিবডিগুলোকে ব্যবহার করে প্রস্তুত করা হয়েছে।

পিকিং ইউনিভার্সিটির বেইজিং অ্যাডভান্সড ইনোভেশন সেন্টার ফর জিনোমিক্সের পরিচালক সাননি জি বলেন, ‘আমরা যখন সংক্রমিত ইঁদুরগুলোকে নিরপেক্ষ অ্যান্টিবডিগুলো দিয়েছিলাম, এর পাঁচ দিন পর ভাইরাল লোডটির ২৫০০ ফ্যাক্টর হ্রাস পেয়েছে। এর অর্থ এই সম্ভাব্য ওষুধের চিকিৎসা ক্ষমতা রয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘ইমিউনোলজি বা ভাইরোলজির তুলনায় আমাদের একক সেল জিনোমিক্স নিয়ে অভিজ্ঞতা ছিল। আমরা যখন বুঝতে পেরেছিলাম যে এককোষের জিনোমিক পদ্ধতি কার্যকরভাবে নিরপেক্ষ অ্যান্টিবডি খুঁজে পেতে পারে তখন আমরা শিহরিত হয়েছিলাম। এরপর থেকেই দিন-রাত করে আমাদের বিশেষজ্ঞরা নিরপেক্ষ অ্যান্টিবডির সন্ধান করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো ভ্যাকসিন ছাড়াই একটি কার্যকর ওষুধ দিয়ে আমরা মহামারী বন্ধ করতে সক্ষম হবো।’

তবে গত সপ্তাহে চীন পাঁচ ধরণের ভ্যাকসিন তৈরি করে মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলক কাজ শুরু করেছে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সর্তক করে বলে দিয়েছে করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন আসতে ১২ থেকে ১৮ মাস লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছে।

এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৩ লাখ ২০ হাজার ১৩৭ জন।এছাড়া এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৪৮ লাখ ৯১ হাজার ৪১৯ জনের শরীরে।