মিরাজ বাদে বোলারদের কথা আলাদা করে বলার কিছু নেই। তরুণ স্পিনার চারজনকে ফিরিয়েছেন। তারপরও শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে ৪৯৪ রান করেছে। বোলারদের এই নিরুত্তাপ সময়ে ব্যাট হাতে ব্যাটসম্যানরা কতটা চ্যালেঞ্জ নিতেন পারেন, সেটাই দেখার বিষয়।
গল টেস্টের এই দুই দিনের মধ্যে প্রথম দিন সকালে উইকেট যা একটু বোলারদের হয়ে কথা বলেছে। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা তাই ভালো কিছুর আশা করতেই পারেন।
বুধবার সকালে মিরাজের হাতে ধরে প্রথম উইকেট। প্রথম দিনের পড়ে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় দিন প্রায় ডাবল সেঞ্চুরির কাছে চলে এসেছিলেন কুশল মেন্ডিস। কিন্তু মিরাজ তার স্বপ্নটা ভেঙে দেন। ১৯৪ রানের মাথায় এই লঙ্কানকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন।
মিডলস্টাম্পের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসেছিলেন মেন্ডিস। ছয় হাঁকিয়ে দ্বিশতক ছুঁতে চেয়েছিলেন। কিন্তু টাইমিং গড়বড় হয়ে যায়। লংঅনে তামিমের দক্ষতার কাছে হার মানতে হয় তাকে। বল ধরে শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখতে বাউন্ডারি লাইন পার হয়ে যান তামিম। যাওয়ার আগে মাঠের ভেতর আকাশে বল ছুঁড়ে দেন। কয়েক সেকেন্ড ব্যবধানে মাঠে ঢুকে আয়েস করে বল তালুবন্দি করেন। মেন্ডিস ফেরার সময় দলকে ৩৯৮ রানে রেখে যান।
মঙ্গলবার টস জিতে আগে ব্যাট নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। মোস্তাফিজ আর তাসকিনকে দিয়ে শুরু করেন অধিনায়ক মুশফিক। তাসকিন দুই ওভার করেন। আরেক দিকে মোস্তাফিজ নিয়মিত থাকলেও শুভাশিসকে যোগ করেন মুশি। আর তাতেই এসেছিল সাফল্য। নিজের প্রথম ওভারে দলকে উইকেট এনে দেন তিনি। ঠিক পরের বলে কুশল মেন্ডিস উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছিলেন। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায় বলটি ‘নো’ ছিল।
দ্বিতীয় উইকেটটি পান মেহেদী হাসান মিরাজ। দিমুথ করুনারত্নেকে (৩০) বোল্ড করেন তরুণ এই স্পিনার। লাঞ্চের পর মোস্তাফিজ উইকেটের দেখা পেয়েছিলেন। এরপর আর বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি। দেখার মতো এক অফকাটারে দীনেশ চান্দিমালকে ফেরান (৫)। কাভার ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন তিনি। বল কানা নিয়ে চলে যায় মিরাজের হাতে। আর শেষ বিকেলে তাসকিন আসিলা গুনারত্নেকে (৮৫) ফিরিয়েছিলেন।










