চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অযোধ্যা মামলার রায়ের বিচারপতি এজলাসে

রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার রায় দেওয়ার জন্য প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈসহ ৫ সদস্যের বেঞ্চ ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে এসে পৌঁছেছেন।

স্থানীয় সকাল সাড়ে ১০টায় মামলাটির রায় দেওয়া হবে বলছে ভারতীয় ইংরেজি গণমাধ্যম এনডিটিভি।

বিজ্ঞাপন

ঐতিহাসিক এই রায় দেবেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ।

প্রধান বিচারপতি ছাড়াও অপর চার বিচারপতি হলেন বিচারপতি এসএ বোবেদ, ডিওয়াই চন্দ্রচুড়, অশোক ভূষণ এবং আব্দুল নাজের।

টানা ৪০দিনের শুনানি শেষে গত ১৬ অক্বোবর আদালত এই মামলার রায় স্থগিত রাখা হয়। এরপর ওই দিনই উত্তর প্রদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন।

প্রধান বিচারপতি গগৈ ১৭ নভেম্বর অবসর গ্রহণ করবেন। তার আগেই তিনি ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করে যেতে চান। ফলে সচেতন মহলের দৃষ্টি ছিলো এই রায়ের দিকে। অবশেষে সেই দিন আজ।

বিজ্ঞাপন

রায়কে কেন্দ্র করে ভারতের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের অযোধ্যাতেই মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ১২ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। জারিা করা হয়েছে সতর্কতা। উত্তর প্রদেশের স্কুল-কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ট্রেনিং সেন্টারগুলো শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই নির্দেশ জারি করা হয়েছে মধ্যপ্রদেশ, কর্নাটক, রাজস্থান, জন্মু, দিল্লি এবং রাজস্থানেও।

এদিকে সকল রাজ্যকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শুক্রবার রাতে উত্তর প্রদেশের পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে লখনৌতে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

অযোধ্যা মামলাকে ‘বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হতে যাওয়া এসএ বোবদে।

রায়কে কেন্দ্র করে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

হিন্দু এবং মুসলিম উভপ পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শান্তিরক্ষার আবেদন করা হয়েছে। শান্তি রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও।

১৯৮০ সাল থেকেই অযোধ্যা ইস্যুটি রাজনৈতিক বিষয় হয়ে উঠেছে। অযোধ্যার এই স্থানটিকে হিন্দুরা রামের জন্মভূমি হিসেবে পবিত্র মনে করে থাকেন। অন্যদিকে এখানেই ছিলো ১৬ শতকের বাবরি মসজিদ। যেটি ১৯৯২ সালে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সে সময় ৩ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

Bellow Post-Green View