চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অনন্ত জলিলের ‘দিন দ্য ডে’র বাজেট প্রায় ১০০ কোটি টাকা

নতুন চিন্তা-চেতনা ও আধুনিকতা নিয়ে হাজির হচ্ছেন চিত্রনায়ক, প্রযোজক এবং দেশের অন্যতম সফল ও শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি অনন্ত জলিল। প্রায় সাত বছর পর এ তারকা তার নতুন সিনেমা ‘দিন দ্য ডে’ নিয়ে আসছেন। বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমাটিতে রেকর্ড পরিমাণ বাজেট ব্যয় হয়েছে, যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে! সিনেমাটির বাজেট প্রায় বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১০০ কোটি টাকা যা মার্কিন ডলার হিসেবে ১২ মিলিয়ন।

শনিবার রাতে ঢাকার এক পাঁচতারকা হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে তথ্যটি জানিয়েছেন অনন্ত জলিল।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমা প্রসঙ্গে অনন্ত জলিল বলেন, ইরানী প্রযোজক ও পরিচালক এবার ঢাকায় এসে সিনেমার বাজেটের হিসেবে দিয়েছেন। টোটাল হিসেবে দেখা গেছে বাজেট মার্কিন ডলারে ১২ মিলিয়ন, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১০০ কোটি টাকা। সিনেমাটি পুরোপুরি প্রস্তুত। আসন্ন ঈদুল আজহায় বাংলাদেশ, ইরানসহ বিশ্বের ৮০টি দেশে একযোগে মুক্তি দেয়া হবে। সেই প্রক্রিয়া চলছে। ইরান থেকে পরিবেশনা করা হবে।

ইরানের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় বানানো ‘দিন দ্যা ডে’র বাংলাদেশের অংশ প্রযোজক অনন্ত জলিল। এ বিষয়ে তিনি জানান, বাংলাদেশে শুটিংয়ে যে অর্থ ব্যয় হয়েছে তিনি সেই অংশটুকুতে লগ্নী করেছে। অন্যান্য দেশের শুটিংয়ে ব্যয় বহন করেছে ইরানী প্রযোজক।

যারা বাংলাদেশ থেকে প্রবাসে যান তারা বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হন। বাংলাদেশ, তুরস্ক, আফগিস্তান, ইরান এই চারদেশ মিলিয়ে ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমায় উঠে আসবে সেইসব লোহমর্ষক প্রেক্ষাপট।

অনন্ত জলিল বলেন, সিনেমার নাম ‘দিন দ্য ডে’ হলেও এখানে ইসলামের কোনো ঘটনা নেই। আমাদের জীবনের ঘটনাগুলো রয়েছে তাই রয়েছে এ সিনেমায়। আসন্ন রোজার ঈদে সিনেমাটি মুক্তি দিচ্ছি না কারণ এবার অনেক বড় ভালো সিনেমা আসছে। তাই ঈদুল আজহায় সিনেমাটি মুক্তি দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অনন্ত জলিল তার আরেক সিনেমা ‘নেত্রী দ্য লিডার’ নিয়েও কথা বলেন। যেখানে উপস্থিত ছিলেন তুরস্ক, ভারতীয় অভিনেতা কবির দুহান সিং, রবি কিষান ও প্রদীপ রাওয়াত প্রমুখ। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সিনেমাটি নির্মিত হবে। যেখানে তুরস্ক, ভারতের শিল্পীরাও অভিনয় করবেন। বাংলাদেশ থেকে নেত্রী’র ভূমিকায় অভিনয় করবেন অনন্তপত্নী বর্ষা। নেত্রী ৯৫ শতাংশ শুটিং হবে তুরস্কের বিভিন্ন লোকেশনে আর ৫ শতাংশ শুটিং হবে ঢাকায়।