মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদন্ডাদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের আপিলের শুনানি মঙ্গলবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
সোমবার আপিল বিভাগে দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষে আদালত মুলতবি ঘোষণা করা হয়।
এদিন ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দিয়ে অবমাননার অভিযোগ থেকে আইনজীবী তাজুল ইসলাম এবং জামায়াতের তিন নেতাকে অব্যাহতি দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে শিবিরের সভাপতি ও সেক্রেটারির বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানাতে ৩ সপ্তাহের সময় দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে ৪ সদস্যের বেঞ্চে মুজাহিদের আপিলের শুনানি শুরু হয়ছে ২৯ এপ্রিল। ট্রাইব্যুনাল ৭টি অভিযোগের মধ্যে ৫ অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দেন।
শুনানির প্রথম দিনে প্রমাণিত ৫টি অভিযোগের মধ্যে প্রথম অভিযোগ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনকে হত্যা, রণজিৎ নাথকে হত্যা এবং বদি, রুমিসহ কয়েকজনকে হত্যার অভিযোগের কিছু অংশ পড়ার পর মুলতবি হয়ে যায়। সোমবার আবারও শুনানি শুরু হয় আপিল বিভাগে।
মুজাহিদের আইনজীবী শিশির মুনির বলেন, আজকে অভিযোগ নম্বর ৫ এর খন্ডাংশ এবং অভিযোগ নম্বর ৬ এর একাংশ হয়েছে। আগামীকাল মহামান্য আপিল বিভাগ আবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদন্ডাদেশের রায়কে সমালোচনার জন্য জামায়াতের আইনজীবী ও জামায়াত-শিবিরের ৫ নেতার বিরুদ্ধে রুল দেন। সোমবার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
প্রসিকিউটর তাপস ক্রান্তি বল বলেন, যেদিন রুল জারি ককরা হয়েছে সেদিন এ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম নিজে উপস্থিত থেকে নি:শ্বর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন। সুতরাং আদালত তার ক্ষমা প্রার্থনাকে আমলে নিয়েছেন।
তবে শিবিরের সভাপতি এবং সাত শিবিরের সাধারণ সম্পাদক তাদের বক্তব্যকে আদালত কোনোভাবেই আমলে না নিয়ে তাদেরকে কেন শাস্তি দেয়া হবেনা তার ব্যাখ্যা চেয়ে রুল জারি করেছেন। আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে তাদেরকে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন ট্রাইব্যুনাল।
একই অভিযোগ থেকে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর, নায়েবে আমীর ও সেক্রেটারি জেনারেলকে অব্যাহতি দেন ট্রাইব্যুনাল।






