ভারতের মার্কিন দূতাবাস প্রাঙ্গণে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এনটিডিভি জানায়: শিশুটির বাবা-মা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর রোববার ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার সকালে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন যে, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
ধর্ষণের শিকার শিশুর পরিবার দূতাবাস প্রাঙ্গণের স্টাফ কোয়ার্টারেই থাকে। তার বাবা গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত যুবক মার্কিন দূতাবাসের কোনো কর্মকর্তা না হলেও তার বাবা দূতাবাসের একজন কর্মচারী। ফলে ধর্ষক সেখানকার স্টাফ কোয়ার্টারে পরিবারের সঙ্গেই থাকে।
ভারতের মার্কিন দূতাবাস নয়া দিল্লির চাণক্যপুরিতে অবস্থিত, যেটি একটি নিরাপদ কূটনৈতিক এলাকা। আরও বেশ কয়েকটি দূতাবাস ও হাইকমিশন সেখানে অবস্থিত। এলাকাটি ভারী সুরক্ষিত ২৮ একর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত এবং ভুক্তভোগীর পরিবার একে অপরকে ভালোভাবেই জানতো। শিশুটি বাইরে খেলতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশ বলছে, চিকিৎকরা নিশ্চিত করেছেন যে, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ভারতের কঠোর শিশু সুরক্ষা আইন অনুসারে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্প্রতি ভারতে শিশু ধর্ষণের হার মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চারজন ধর্ষণের শিকারদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে বলে এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ৯৪ শতাংশের পরিবার অপরাধীদের পূর্ব পরিচিত।
২০১৮ সালে দুই শিশু কন্যা ধর্ষণের শিকার হওয়াকে কেন্দ্র করে ভারত সরকার ধর্ষণের অপরাধ হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের প্রবর্তন করে।
২০১২ সালে দিল্লির চলন্ত বাসে এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ ও হত্যার পরে যৌন সহিংসতা মোকাবিলায় ভারতের দুর্বল অবস্থা সামনে আসে। এর ফলে দেশটির ধর্ষণ আইনে ব্যাপক প্রতিবাদ ও পরিবর্তন হয়।








