নর্থ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘বৃদ্ধ’ বলে উপহাস করেছেন। জবাবে আবার ট্রাম্প তাকে বলেছেন ‘খাটো আর মোটা’; তবে কথাটা বলেছেন একটু ঘুরিয়ে।
এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (অ্যাপেক) সম্মেলনের জন্য ভিয়েতনামে থাকা অবস্থায় রোববার এক টুইটবার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘কিম জং উন কেন আমাকে ‘বুড়ো’ বলে অপমান করবেন যেখানে আমি কখনো তাকে ‘খাটো আর মোটা’ বলে ডাকিনি? কী আর করা, আমি কত চেষ্টা করি তার বন্ধু হতে – হয়তো কোনো একদিন সেটা ঘটতেও পারে!’
এশিয়ায় ট্রাম্পের ম্যারাথন সফরের চতুর্থ গন্তব্য ভিয়েতনাম। অ্যাপেক সম্মেলনের জন্য সেখানে দু’দিন আছেন তিনি। তবে পুরো সফরেই ট্রাম্প নর্থ কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র প্রকল্প ঠেকাতে দেশটির ওপর বৈশ্বিক চাপ বাড়ানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
Why would Kim Jong-un insult me by calling me “old,” when I would NEVER call him “short and fat?” Oh well, I try so hard to be his friend – and maybe someday that will happen!
— Donald J. Trump (@realDonaldTrump) November 12, 2017
মঙ্গলবার সাউথ কোরিয়ার পার্লামেন্টে ট্রাম্প কিমকে উদ্দেশ্য হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমাদেরকে অবমূল্যায়ন করবেন না। আমাদের উস্কাবেন না।’
এর জবাবে শনিবার নর্থ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, ‘ট্রাম্পের মতো একজন বুড়ো উন্মাদের করা বেপরোয়া মন্তব্য কখনোই আমাদের ভয় দেখাতে পারবে না, আমাদের অগ্রগতিও ঠেকাতে পারবে না। বরং এগুলো আমাদের আরও বেশি নিশ্চিত করে দেয় যে, একই সঙ্গে অর্থনৈতিক গঠনকে এগিয়ে নেয়া এবং পারমাণবিক সক্ষমতা তৈরি
করার বিষয়ে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা পুরোপুরি যুক্তিসঙ্গত। আর এটাই আমাদের পারমাণবিক শক্তিকে পূর্ণাঙ্গ করার প্রক্রিয়া দ্রুত করতে আমাদেরকে শক্তি যোগায়।’
বিবৃতি প্রকাশ করে এভাবে বুড়ো বলায়ই অপমানিত হয়ে টুইটারে পোস্ট দিয়ে কিমকে খাটো আর মোটা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। রোববার ওই টুইটের পর ভিয়েতনামে এক সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আবার ট্রাম্প বলেন, তার আর কিমের মাঝে কোনো একদিন হয়তো বন্ধুত্ব সম্ভব এবং বিষয়টা অদ্ভুত হলেও তা নর্থ কোরিয়াসহ পুরো বিশ্বের জন্য ‘খুবই, খুবই ভালো হবে’। কিন্তু সেটা আদৌ কখনো ঘটবে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত নন তিনি।









