বিগত বছরের মতো এবারও যত দ্রুত সম্ভব কোরবানির বর্জ্য অপসারণের আশ্বাস দিয়েছে সকল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে কোরবানির পশু জবাইকে ঘিরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে করণীয় ঠিক করতে দেশের সব সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ওই বৈঠকের শুরুতেই মেয়ররা বলেন, যত্রতত্র কোরবানির পশু জবাইয়ের কারণে প্রতিবছর পরিবেশ নোংরা হচ্ছে। পাশাপাশি আবর্জনা পরিস্কার করতে বেশ বেগ পেতে হয় কর্পোরেশনকে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, ঈদের নামাজের পর যদি বৃষ্টিপাত বেশি হয়, আমরা প্রত্যক্ষ করেছি যে এই বৃষ্টির পানির সঙ্গে রক্ত মিশে তা রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবেশ নষ্ট করে। রাস্তায় কোরবানি না করতে আহ্বান জানিয়েও বাস্তবিক অর্থে আমরা সেরকম সাড়া পাইনি। সবাই এসে যে এটি করে ব্যাপারটি আসলে তা নয়।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, সব মাংস এক জায়গায় নিয়ে গিয়ে সব বিতরণ করা বা কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো গতবার আমরা তৈরি করতে পারিনি। এসব কারণে আমরা মানুষের অংশগ্রহণ কম দেখেছি। এবং মানুষ তাদের সুবিধার কারণেই আশে পাশে যদি কোন মসজিদ থাকে বা খোলা স্থান থাকে সেই জায়গা গুলোতে কোরবানি করতে চায়। এবারও যে এর ব্যতিক্রম হবে তা নয়।
এসময় উপস্থিত অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের মেয়ররাও বক্তব্য রাখেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (এলজিআরডি) মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বাড়ির আঙ্গিনা এবং সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থান ছাড়া পশু কোরবানি করা যাবে না। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য মেয়রদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
কোরবানির সঙ্গে ধর্মীয় আবেগ জড়িত থাকায় কঠোর না হয়ে কীভাবে পরিকল্পনার মাধ্যমে যত্রতত্র পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেদিকে নজর দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:







