‘আমি কাউকে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে আগুন দিতে বলিনি। আমি প্রেক্ষাগৃহ ভাঙচুরের কথাও বলিনি। কে বলেছে, আমি শুনিনি। যদি কেউ বলে থাকে, এটা তার ব্যক্তিগত মতামত। চলচ্চিত্র ঐক্যজোট কখনোই এ ধরনের মানসিকতাকে প্রশ্রয় দেবে না। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন করছি, শান্তিপূর্ণ উপায়েই দাবি আদায়ের চেষ্টা করব।’ বললেন মিশা সওদাগর, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি।
ইস্কাটন গার্ডেনে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সামনে গতকাল বুধবার দুপুরে অবস্থান কর্মসূচী পালন করে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৪টি সংগঠন নিয়ে গঠিত চলচ্চিত্র পরিবার। এখানে যৌথ প্রযোজনার নামে যৌথ প্রতারণা করে নির্মিত ‘বস টু’ ও ‘নবাব’ ছবি দুটির ছাড়পত্র না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান চলচ্চিত্র পরিবারের নেতৃবৃন্দ। পরে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়, মিশা নাকি প্রেক্ষাগৃহ ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার কথা বলেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে বিএফডিসির চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির কার্যালয়ে চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের সভা অনুষ্ঠিত হয়। তার ফাঁকে কথা হলো মিশা সওদাগরের সঙ্গে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড থেকে ‘বস টু’ ও ‘নবাব’ ছবি দুটির ছাড়পত্র পাওয়ার পর চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করা হয় এই সভায়।
জানা গেছে, চলচ্চিত্র ঐক্যজোটে আজ চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট আরও দুটি সংগঠন যুক্ত হয়েছে—ফিল্ম ক্লাব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলী সমিতি। এখন এই জোটে ১৬টি সংগঠন যুক্ত হলো।
এদিকে আজ কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের সভা শেষ হয়। সভায় উপস্থিত সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা গেছে, যৌথ প্রযোজনার নামে যৌথ প্রতারণার বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ব্যাপারে চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের সবাই একমত হয়েছেন। আগামীকাল শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছেন চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের নেতৃবৃন্দ। প্রধানমন্ত্রীকে সার্বিক পরিস্থিতি জানাবেন তারা। এখন প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত তাদের শেষ ভরসা।
আগেই জানানো হয়েছে, এবার ঈদে ‘বস টু’ ও ‘নবাব’ ছবি দুটি সারা দেশে মুক্তি পাচ্ছে।









