বুলাওয়ে টেস্টে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে রেকর্ড ব্যবধানে হেরেছে জিম্বাবুয়ে। প্রোটিয়াদের দেয়া ৫৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাত্তাই পায়নি রোডেশিয়ানরা। পর্বতসম লক্ষ্যের নিচে চাপা পড়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে গেল স্বাগতিক দল।
প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৪১৮ রান তুলেছিল সাউথ আফ্রিকা। জবাবে ২৫১ রানে থামে জিম্বাবুয়ে। ১৬৭ রানে এগিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ৩৬৯ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস। ৫৩৭ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় কেশভ মহারাজের দল। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ রানতাড়ায় নেমে ২০৮ রানে গুটিয়ে ৩২৮ রানে পরাজয় দেখেছে জিম্বাবুয়ে।
টেস্টে জিম্বাবুয়ের আগের বড় হারটা ছিল ৩১৫ রানে। ২০০২ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৯৫ রান তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৯ রানে গুটিয়ে যায় দলটি।
রোডেশিয়ানদের রেকর্ড ব্যবধানে হারানোর ম্যাচে সাউথ আফ্রিকার চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে অনন্য কীর্তি গড়েছেন কোর্বিন বোশ। ৩০ বর্ষী পেস অলরাউন্ডার প্রথম ইনিংসে ৮ নম্বরে ব্যাটে নেমে অপরাজিত ১০০ রান করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৪১ বলে ৩৬ রান। বল হাতে প্রথম ইনিংসে উইকেটশূন্য থাকলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে তার শিকার ৪৩ রানে ৫ উইকেট।
২৩ বছর পর প্রোটিয়া ক্রিকেটার হিসেবে একই টেস্টে সেঞ্চুরি ও ৫ উইকেটের কীর্তি গড়েছেন বোশ। ২০০২ সালের অক্টোবরে পচেফস্ট্রুমে বাংলাদেশের বিপক্ষে জ্যাক ক্যালিস সবশেষ এ কীর্তি গড়েছিলেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: সাউথ আফ্রিকা ৩২৮ রানে জয়ী
সাউথ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস- ৪১৮/৯ (ঘোষণা)
প্রিটোরিয়াস-১৫৩ (১৬০), বোশ-১০০* (১২৪), ব্রেভিস-৫১ (৪১)
চিভাঙ্গা-৪/৮৩, মুজারাবানি-২/৫৯
জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস- ২৫১/১০
উইলিয়ামস-১৩৭ (১৬৪), আরভিন-৩৬ (৯০)
মুল্ডার-৪/৫০, কোডি-৩/৪২, মহারাজ-৩/৭০
সাউথ আফ্রিকা দ্বিতীয় ইনিংস- ৩৬৯/১০
মুল্ডার-১৪৭ (২০৬), মহারাজ-৫১ (৭০)
ওয়েলিংটন-৪/৯৮, চিভাঙ্গা-২/৭৬, মাসেকেসা-২/১১৭
জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংস- ২০৮/১০
ওয়েলিংটন-৫৭ (৯২), আরভিন-৪৯ (৭৭), মুজারাবানি-৩২ (২৯)
বোশ-৫/৪৩, কোডি-৩/২২








