আলফাজ-কাঞ্চন-এনামুলদের মতো কেউ নেই এখন বাংলাদেশে

হামজা চৌধুরী-শমিত সোমদের কারণে মাঝমাঠের ঘাটতি কাটিয়ে উঠছে বাংলাদেশ। তবে এখনও আক্রমণের বিবর্ণতায় ভুগছে। তিনদিন পর ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু। স্কোয়াডের রোনান সুলিভান চোটে অনুপস্থিত, বেশ বড় ধাক্কাই বলছেন সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি। তার মতে, বাংলাদেশের আক্রমণে আলফাজ আহমদ, রোকনুজ্জামান কাঞ্চন, এনামুল হক, মিঠুন কিংবা সবুজদের মতো আর কেউ নেই এখন।
ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে ২০০৩ সালের সাফজয়ী ও ২০১০ সালের এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী দলের প্রীতি ম্যাচ আয়োজন হয়েছে রোববার। ম্যাচের পর এমিলি বলেছেন, ‘টুর্নামেন্টে বা ঘরের মাঠে জিততে হলে গোল করতেই হবে। ২০০৩ ও ২০১০ সালে আমরা যখন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম, তখন সাফ ফুটবলে আলফাজ ভাই, কাঞ্চন ভাই, এনামুল, মিঠুন ও সবুজ ভাইয়ের মতো স্ট্রাইকাররা গোল করেছিলেন।’
‘সাফ ফুটবল জিততে হলে স্ট্রাইকারদের অবদানের বিকল্প নেই। বর্তমান দলে স্ট্রাইকার সংকট থাকলেও পেছন থেকে বা সেন্টারব্যাক পজিশন থেকে গোল করিয়ে ম্যাচ জিততে হবে। রোনান সুলিভানের না থাকাটা বাংলাদেশ দলের জন্য একটি বড় ধাক্কা। কারণ দলে পিওর গোলস্কোরার বা স্ট্রাইকারের অভাব রয়েছে।’
‘রাফায়েল টুডুকে দলে নেয়ার সুযোগ রয়েছে এবং তাকে নেয়া হলে দলের জন্য ভালো হবে, কারণ যারা গোল করতে জানে তাদের সামনে রাখা উচিত।’
চোটে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রোনানের এবারের সাফে খেলা হচ্ছে না। তার অনুপস্থিতিতে এখন ফরোয়ার্ড লাইন নতুন করে ভাবতে হচ্ছে কোচ থমাস ডুলিকে। শুরুতে কলেজের কোচের থেকে ছুটি না পাওয়ায় পর ৩ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকার অনুমতি পেয়ে ফেডারেশনকে সম্মতি জানিয়েছিলেন রোনান। তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ১ নভেম্বর রাতের ফ্লাইট বুক করেছিল বাফুফে। চোটের কারণে শেষ পর্যন্ত যাত্রা বাতিল করতে হয়েছে।
৫-১৭ নভেম্বর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে হবে সাফ। ছয় দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও ভুটান। ‘বি’ গ্রুপে খেলবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত, মালদ্বীপ ও পাকিস্তান। ১৪ নভেম্বর দুটি সেমিফাইনাল এবং ১৭ নভেম্বর ফাইনাল হবে।



