তেজা নিদামানুরুর সেঞ্চুরিতে উইন্ডিজের ৩৭৪ ছুঁয়ে ‘টাই’ করে নেদারল্যান্ডস। নির্ধারিত ওভারেই জয়টা পেতে পারতো ডাচবাহিনী, যদি শেষ বলে আলজারি জোসেফের শিকার না হতেন লোগান ফন বিক। পরে ম্যাচ গড়ায় সুপারওভারে। সেখানে ডাচদের নায়ক ফন বিক। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে জেতান নেদারল্যান্ডসকে।
সুপার ওভারে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন ফন বিক। হোল্ডারকে তুলোধুনো করে সংগ্রহ করেন ৩০ রান। ছিল তিনটি চার ও তিনটি ছক্কার মার। উইন্ডিজকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বল হাতে তুলে নেন নিজেই। সেখানেও ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। মাত্র ৮ রান খরচায় নেন দুই উইকেট। তাতেই জয় নিশ্চিত হয় ডাচবাহিনীর।
ডাচদের কাছে হারায় অবশ্য ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের সুপার সিক্স নিশ্চিতে সমস্যা হয়নি উইন্ডিজের। গ্রুপ ‘এ’ থেকে আগেই বাদ পড়েছে নেপাল ও যুক্তরাষ্ট্র। তাতে দুই জয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে তৃতীয় হয়ে সুপার সিক্সের টিকিট কাটে উইন্ডিজ। চার ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার-আপ হয়ে নেদারল্যান্ডস, আর চার জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার সিক্সে পা রেখেছে জিম্বাবুয়ে।
হারেরেতে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আগে ব্যাটে পাঠায় নেদারল্যান্ডস। পুরানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটে ৩৭৪ রান সংগ্রহ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পুরান অপরাজিত থাকেন ৬৫ বলে ১০৪ রান করে। ৬ ছক্কা ও ৯ চারের ইনিংস তার।
ব্রেন্ডন কিং করেছেন ৮১ বলে ৭৬ রান। ফিফটি হাঁকান জনসন চার্লস, ৫৫ বলে ৫৪ রান করেন। ৩৮ বলে ৪৭ রান করেন শাই হোপ। ২৫ বলে ৪৬ রানের ঝড়ো ক্যামিওতে অপরাজিত ছিলেন কিমো পল।
পাহাড়সম রান সামনে রেখে ব্যাটে নেমে ক্যারিবীয়দের ছেড়ে কথা বলেনি নেদারল্যান্ডস। নিদামানুরুর সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার এক বল বাকী থাকতে ৮ উইকেট হারিয়ে উইন্ডিজের দেয়া ৩৭৪ রান স্পর্শ করে ডাচবাহিনী। শেষ বলে হোল্ডারের কাছে ক্যাচ দিয়ে জোসেফের শিকার হন ফন বিক। ফলে ‘টাই’ হয় ম্যাচ। ৭৬ বলে ১১১ রান করেন নিদামানুরু। ৪৭ বলে ৬৭ রান করে ফেরেন স্কট এডওয়ার্ডস।








