‘বর্ডার ২’ ছবিতে জওয়ানের উর্দিতে বরুণ ধাওয়ানের লুক ইতিমধ্যেই দর্শকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে। ট্রেলার ও টিজার প্রকাশের পর প্রথম দিকে যে অভিনেতাকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের ঝড় উঠেছিল, সিনেমা মুক্তির পর সেই সমালোচকরাই এখন তার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ। তবে প্রশংসার আবহের মাঝেই এবার এক নতুন বিতর্কে জড়ালেন বরুণ।
সম্প্রতি মুম্বাইয়ের যানজট এড়িয়ে সিনেমার প্রচার চালাতে মেট্রো সফর বেছে নিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু সেখানেই মেতে উঠলেন বিপজ্জনক ‘স্টান্ট’-এ।
মেট্রোর হাতল ধরে ঝুলে পড়ার সেই দৃশ্য ভাইরাল হতেই নড়েচড়ে বসেছে মুম্বাই মেট্রো কর্তৃপক্ষ। প্রশংসা তো দূর, উল্টো জুটল জেল-জরিমানার কড়া হুঁশিয়ারি।
মেট্রোতে ঠিক কী ঘটেছিল? ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, শুরুতে বরুণ ধাওয়ান বেশ সাবলীলভাবেই সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে মিশে গিয়েছিলেন। সহযাত্রীদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলছিলেন, জানতে চাইছিলেন তারা ‘বর্ডার ২’ কোন প্রেক্ষাগৃহে দেখবেন। কিন্তু বিপত্তি ঘটে যখন তিনি হঠাৎ ট্রেনের ছাদের হাতল ধরে শরীর দুলিয়ে ঝুলে পড়েন।
ভিডিওতে তাকে মেট্রোর হাতল ধরে রীতিমতো জিমন্যাস্টিকসের কায়দায় দোল খেতে দেখা যায়। তার এই কাণ্ড দেখে আশেপাশের যাত্রীরা অবাক হলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়।
বিষয়টি নজরে আসা মাত্রই কঠোর অবস্থান নেয় মুম্বাই মেট্রো কর্তৃপক্ষ। বরুণের ওই ভিডিওটি নিজেদের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে শেয়ার করে তারা তীব্র ভর্ৎসনা করে। পোস্টে লেখা হয়, “অ্যাকশন সিনেমার মতো এই ভিডিওর ক্যাপশনেও সতর্কবাণী থাকা উচিত ছিল। মুম্বাই মেট্রোতে এ ধরনের স্টান্ট করার চেষ্টা করবেন না। বন্ধুরা মিলে মেট্রো সফর উপভোগ করা যায়— আমরা বুঝি। কিন্তু এই হাতলগুলো ঝুলে থাকার জন্য নয়।”
কর্তৃপক্ষ আরও মনে করিয়ে দেয়, তারকারা আইনের ঊর্ধ্বে নন। তাদের বার্তায় স্পষ্ট বলা হয়, “মেট্রোর ভেতরে এমন আচরণ আইনত অপরাধ এবং এর জন্য কারাদণ্ডও হতে পারে। ভবিষ্যতে একজন দায়িত্ববান নাগরিকের মতো মেট্রোতে ভ্রমণ করুন।”
সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলেছেন, একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে বরুণের কি সাধারণ নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা উচিত ছিল না? কেউ কেউ বলছেন, তাকে দেখে তরুণ প্রজন্ম উৎসাহিত হতে পারে, যা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। যদিও এই বিতর্ক নিয়ে বরুণ ধাওয়ানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। –ইন্ডিয়া টুডে










