যুদ্ধের শুরুতে ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার কয়েক দিন পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যেই বলেছিলেন, ইরানের ভেতর থেকেই ‘কেউ একজন’ যদি দেশটির দায়িত্ব নেন, তবে সেটাই সবচেয়ে ভালো হবে।
এখন জানা যাচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একটি নির্দিষ্ট ও অত্যন্ত চমকপ্রদ নাম মাথায় নিয়েই এ সংঘাতে জড়িয়েছিল। সেই ব্যক্তিটি হলেন মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। বিস্ময়ের কথা, ইরানের এই সাবেক প্রেসিডেন্ট তাঁর চরম কট্টরপন্থী, ইসরায়েলবিরোধী ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।
তবে ওই দুঃসাহসিক পরিকল্পনাটি খুব দ্রুতই ভেস্তে যায়। যাঁরা পরিকল্পনাটি সম্পর্কে অবগত ছিলেন, সেই মার্কিন কর্মকর্তাদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ইসরায়েলের তৈরি করা এ পরিকল্পনার বিষয়ে আগে আহমাদিনেজাদের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছিল।
মার্কিন কর্মকর্তা ও আহমাদিনেজাদের একজন সহযোগীর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম দিনই তেহরানে আহমাদিনেজাদের বাড়িতে একটি ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়। মূলত তাঁকে গৃহবন্দী দশা থেকে মুক্ত করার জন্যই হামলাটি করা হয়েছিল। হামলায় তিনি আহত হন।
কর্মকর্তারা জানান, আহমাদিনেজাদ এ হামলায় বেঁচে যান। আর এ ঘটনার পর ইরানের ক্ষমতা পরিবর্তনের এ পরিকল্পনা থেকে তিনি নিজেকে গুটিয়ে নেন।








