মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ইলিশের আহরণ বেড়েছে, কিন্তু এখনও দাম কমেনি। এজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। ইলিশের দাম কেজি প্রতি ১ হাজার টাকার নিচে করার চেষ্টা করছি।
আজ (২৭ নভেম্বর) বুধবার অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি ও পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, ইলিশের দাম কেজিপ্রতি এখনও ১৫০০ টাকার ওপরে থাকায় সাধারণ মানুষের চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, ইলিশের অতিরিক্ত দামের জন্য সিন্ডিকেট, মধ্যস্বত্বভোগী ও দাদন ব্যবসাই দায়ী। ইলিশ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে গত ১০ বছর ধরে। তবে এ বছর দুর্গাপূজার সময়ে ভারতে ৩ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয়া হলেও ভারতে গেছে মাত্র ৬৬৫ মেট্রিক টন।
মাংস, দুধ ও ডিমের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলেও জানান ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে বন্যার প্রভাবে ডিমের সরবরাহে ঘাটতি হয়েছিল। স্বাভাবিকের তুলনায় তখন চাহিদা বেশি থাকায় ডিমের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়।
ডিম আমদানি প্রসঙ্গে ফরিদা আখতার বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ডিম আমদানিরে ঘোষণা দেয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ডিম আমদানির ফলে দেশের খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। আমদানি করা ডিমের সঙ্গে বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। এর ফলে পোল্ট্রি শিল্প বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।
এই সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফা লাভের জন্যই সরবরাহে হস্তক্ষেপ করে। যার কারণে বাজারে বেড়ে যায় দাম। তিনি আরও বলেন, ডিমের চাহিদার চেয়ে উৎপাদন বেশি থাকা সত্ত্বেও ডিমের অস্বাভাবিক মূল্য বাড়ার পেছেনে সিন্ডিকেটই দায়ী।








