চলচ্চিত্র থেকে ফ্যাশন, এআই সৃজনশীলতার সেরাদের বাছাই
প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্য সম্পন্ন

বাংলাদেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর সৃজনশীলতার বিকাশ ও নতুন প্রতিভাকে স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত ‘প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এর চূড়ান্ত বিচারকার্য অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দেশের চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং, ফ্যাশন, সংগীত, মার্কেটিং ও সৃজনশীল যোগাযোগশিল্পের বিশিষ্ট পেশাজীবীরা অংশ নেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার কনফারেন্স হলে এ বিচারকার্য অনুষ্ঠিত হয়। স্পাইকস্টোরি লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য ‘হিউম্যান ক্রিয়েটিভিটি, এআই পসিবিলিটিজ’।
চূড়ান্ত বিচারকমণ্ডলীতে ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব মার্কেটিং তানজিলা বাহার চৌধুরী, সিবস সল্যুশনের প্রতিষ্ঠাতা হাসিব হাসান চৌধুরী, হাভাস বাংলাদেশের সিইও কিংকর আহসান, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ সিইও ও এক্সিকিউটিভ এডিটর সাজিদ মাহবুব, ড্রিকের ড্রামার হাসিবুল হোসেন উপল, হাউস অব আহমেদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর আহমেদ তুহিন রেজা, শূন্য ব্যান্ডের লিড গিটারিস্ট ও কমিউনিকেশনস স্ট্র্যাটেজিস্ট ইসমামুল ফারহাদ এবং এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেডের মার্কেটিং ডিরেক্টর ও সংগীতশিল্পী মাহাদী ফয়সাল।
আয়োজকদের মতে, বিচারকদের বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা এআইনির্ভর সৃজনশীল কাজের মৌলিকত্ব, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, গল্প বলার দক্ষতা, নান্দনিকতা ও সামগ্রিক প্রভাব মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এবারের প্রতিযোগিতায় চারটি বিভাগে কাজ মূল্যায়ন করা হচ্ছে। বিভাগগুলো হলো—এআই বিজ্ঞাপন, এআই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, এআই মিউজিক ভিডিও এবং এআই ফ্যাশন। এসব বিভাগের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র, সংগীত ও ফ্যাশনশিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং নতুন সৃজনশীল সম্ভাবনা তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকেরা জানান, এ প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য শুধু সৃজনশীল কাজে এআই প্রযুক্তির ব্যবহারকে স্বীকৃতি দেওয়া নয়; বরং প্রযুক্তির পেছনে থাকা মানুষের মৌলিক চিন্তা, কল্পনা, গল্প বলার দক্ষতা ও সৃজনশীল সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেওয়া। চূড়ান্ত পর্যায়ে জমা পড়া কাজের বৈচিত্র্য বাংলাদেশের এআইনির্ভর সৃজনশীলতার প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও সম্ভাবনার প্রতিফলন।
স্পাইকস্টোরি লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের নির্মাতাদের উদ্ভাবন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে শিল্পের অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সংযোগ তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের এআইনির্ভর সৃজনশীল কাজকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক মানের কাজ তৈরিতে উৎসাহ দেওয়াও এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান সম্পর্কে পরবর্তী ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।






