জুলাই আন্দোলনে গুলিতে মারা যান অভিনয়শিল্পী তানজিন তিশার সহকারী আল আমিন। মৃত্যুর প্রায় সাত মাস পর গেল সোমবার ময়নাতদন্তের জন্য আল আমিনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। যে খবরে হতবাক অভিনেত্রী তানজিন তিশা।
মঙ্গলবার রাতে আল আমিনের সাথে একটি স্থিরচিত্র পোস্ট করে প্রতিক্রিয়ায় তানজিন তিশা লিখেন,“আল- আমিন, শুধুমাত্র সহকারী নয়, সে আমার ভাই। যে আমার সাথে পাঁচটি বছর ছিল। যে ছিল নিষ্পাপ একটি ছেলে এবং সে জুলাই ও আগস্ট এর আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়।”
আল আমিনের লাশ উত্তোলনকে সমর্থন করছেন না জানিয়ে হতবাক তিশা লিখেন,“সাত মাস পর আল আমিনের মরদেহ কবর থেকে ওঠানোর মতো নির্মম বিষয়টি আমি মোটেও সমর্থন করছি না। এই কর্মের মাধ্যমে কী লাভ হবে? শুধুমাত্র ওর আত্মাটা কষ্ট পাচ্ছে। পুরো বিষয়টা আমি জানার পর বিষয়টি আমার কাছে মেনে নেয়া অনেক কষ্টদায়ক।”
তিশা লিখেন,“এর পেছনে যে বা যারা জড়িত তারা কোন উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে আমি চিন্তা করে খুবই হতবাক বিষয়টি নিয়ে। ভাইয়া তুই ভালো থাকিস।”
পরিবারের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই ঢাকার উত্তরায় গুলিতে নিহত হন আল আমিন। পরে তাকে উত্তরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তী সময় ময়নাতদন্ত ছাড়াই ২০ জুলাই শ্রীনগর উপজেলার কাশেমনগর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ঘটনার চার মাস পর ডিসেম্বরে নিহত ব্যক্তির বড় ভাই বাদল খলিফা বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করেন। এরপর আল আমিনের বাবা আইয়ুব খলিফার সম্মতিতে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছে পুলিশ।







