নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বুড়িরচর ইউনিয়নে চোর অপবাদ দিয়ে কুসুম আক্তার (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রী ও তার মা ঝুমুর আক্তারকে (৩৮) দড়ি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন এবং ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টিকটকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বুড়িরচর ৫নং ওয়ার্ড রেহানিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আর গতকাল বুধবার ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে স্কুলছাত্রীর বাবা ইদ্রিস থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।
এসময় নির্যাতনকারীরা ওই স্কুলছাত্রী ও তার মায়ের নাকে, কানে ও গলায় থাকা স্বর্ণালংকার এবং ঘর থেকে নগদ টাকা নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ কায়সার খসরু বলেন, ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হাতিয়া থানার ওসিকে অবগত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি আমির হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তথ্য প্রযুক্তি আইনে এবং নির্যাতনের ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভিডিও ধারণকারী ও টিকটক বানানো জিল্লু চট্টগ্রাম পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে, তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, তাদের সাথে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ ছিল স্থানীয় জহির উদ্দিনের জিল্লুর রহমানসহ কয়েকজনের সাথে। এ ঘটনার জেরে গত ৯ ফেব্রয়ারি সকালে চোর অপবাদ দিয়ে স্কুলছাত্রী কুসুম আক্তারকে জিল্লু তার লোকজন নিয়ে আটক করে মারধর করে। কুসুমের চিৎকারে তার মা ঝুমুর এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর শুরু করে জিল্লু ও তার লোকজন।








