ঢাকার ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী নাহিদা আক্তারকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি শামিম ওরফে স্বপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সিল-পাটা ও লুট করা কানের দুলও উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামি শামিম একই বাসায় সাবলেট হিসেবে ভাড়া থাকতেন এবং আগে থেকেই নাহিদাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন। ঘটনার দিন বিকেল ৫টার দিকে ভিকটিমের নানি বাসার বাইরে গেলে ‘ডিম ভাজার জন্য পেঁয়াজ-রসুন লাগবে’—এই অজুহাতে তিনি ঘরে প্রবেশ করেন। পরে নাহিদার কাছে টাকা দাবি করলে সে অস্বীকার করে। এ সময় আসামি প্রথমে ওড়না দিয়ে গলা পেঁচিয়ে তাকে ফেলে দেয় এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে সিল-পাটা দিয়ে মাথা থেঁতলে দেয় বলে জানায় পুলিশ। হত্যার পর ভিকটিমের কানের দুল নিয়ে পালিয়ে যায় আসামি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে ঋণে জর্জরিত হয়ে টাকার জন্যই এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এর আগে বৃহস্পতিবার ধামরাই পৌর শহরের লাকুড়িয়াপাড়া মহল্লার একটি চারতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। রাত ৮টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত নাহিদা আক্তার ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুল থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তার মা প্রবাসে থাকায় তিনি নানির সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।








