জনতা পার্টি বাংলাদেশ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)-এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৈশাখী আড্ডা ও মতবিনিময় সভা।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সভাটি জনতা পার্টি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনতা পার্টি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও এনডিএফ এর প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলন ও সঞ্চালনা করেন জনতা পার্টি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আলহাজ্ব এম. এ. ইউসুফ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টি ও এনডিএফ এর চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
তিনি বলেন, জাতীয় পার্টির সময়েই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন সাধন হয়েছে। রাজনৈতিক বাস্তবতা সকলকে অনুধাবন করতে হবে। যদি আমরা নিজেরা কষ্ট করি, বিশ্বাস করি তাহলে আমরা জোটকে শক্তিশালী করতে পারবো। বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে আমাদের সরব থাকতে হবে। এনডিএফ কে আমরা তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
বিশেষ অতিথি জাতীয় পার্টির নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, জোটকে শক্তিশালী করার যথেষ্ট সুযোগ আমাদের আছে। আমরা আগামীর রাজনীতিতে ভূমিকা রাখতে চাই। এনডিএফ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষে কাজ করে যাবে।
সভাপতির বক্তব্যে গোলাম সারোয়ার মিলন সকলকে বৈশাখী শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারকে এখনই সফল বা ব্যর্থ বলা যায় না। তাদেরকে অন্তত আরো ৬ মাস দেখতে হবে। আমরা আমাদের জোটকে শক্তিশালী করতে চাই যাতে এই জোট আগামীতে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে সংগঠিত হতে পারে।
জনতা পার্টি বাংলাদেশের উপদেষ্টা শাহ মো. আবু জাফর বলেন, আমাদের জোটকে শক্তিশালী করতে হবে। লক্ষ্য স্থির করে এনডিএফ কে এগিয়ে যেতে হবে। পহেলা বৈশাখ আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন মোকাবিলা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাসদ (শাজাহান সিরাজ) এর সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, জাগপার সভাপতি মহিউদ্দিন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, জনতা পার্টি বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ, যুগ্ম মহাসচিব ইকবাল কবীর, শিউলী সুলতানা রুবি, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সোলায়মান, গণতান্ত্রিক লীগ এর সভাপতি মো. আব্দুল জলিল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।








