এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর মধ্যেই আওয়ামী লীগের সদস্য ও নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে এক রিকশাচালক, এক শিঙাড়া বিক্রেতাসহ তিনজনকে গণপিটুনি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাদের মধ্যে দু’জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভেঙে দেওয়া বাড়ির সামনে সড়কের দুই পাশে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার পাশাপাশি কাউকে হেঁটেও চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। এলাকায় পুলিশের সাঁজোয়া যান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীদের পাশাপাশি উৎসুক মানুষের উপস্থিতিও দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা নজরদারিতে রেখেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করা আনাস আয়াজের নেতৃত্বাধীন কয়েকজনের বিরুদ্ধে তিন ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগের সদস্য বা নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে মারধর ও গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মারধরের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন রিকশাচালক ও একজন শিঙাড়া বিক্রেতা রয়েছেন। পরে তাদের মধ্যে দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে সকাল সোয়া ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভেঙে দেওয়া বাড়িতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসা এক ব্যক্তিকেও আটক করে পুলিশ। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধানমন্ডি থানায় নেওয়া হয়। আটক ব্যক্তির নাম অর্ণব দাস। তার বাড়ি টাঙ্গাইলে। প্রাথমিকভাবে তাকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দিবাগত রাত থেকেই ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। এদিকে গণপিটুনির অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখছে।








