এটি আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। আমি আর কোন নির্বাচন করব না, উল্লেখ করে জয়পুরহাট-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাড. সামছুল আলম দুদু বলেছেন, শেষ নির্বাচনে আমার নৌকা মার্কায় আরেকবার ভোট দিয়ে অসমাপ্ত কাজ করার সুযোগ দেন। আমার রাজনৈতিক জীবনে কাউকে কখনো ধোঁকা দেইনি, কাউকে কখনো বকা দেইনি, কাউকে কখনো মিথ্যা মামলায় হয়রানি করিনি, জেলে পাঠাইনি। সবাইকে সাথে নিয়ে দিনরাত উন্নয়নের কাজ করেছি।
বৃহস্পতিবার ৪ ডিসেম্বর বিকেলে জয়পুরহাটের পাঁচবিবির গোহাটি চত্বরে আয়োজিত শেষ নির্বাচনী জনসভায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে কেঁদে কেঁদে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাড. সামছুল আলম দুদু এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, উন্নয়নের মার্কা, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার মার্কা, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার মার্কা নৌকা মার্কা। নেত্রী আমাকে পুনরায় মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি যেন এ আসনটি আবারও নেত্রীকে উপহার দিতে পারি।
দুদু বলেন, আমার বিরোধী পক্ষের লোক যখন নৌকা মার্কায় নির্বাচন করে আমি কখনও তাদের বিরোধিতা করি না। কিন্তু তারা আমার নৌকার ভোট এলেই বিরোধিতা করেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক মন্ডলের সভাপতিত্বে নৌকার নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করেন জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম রকেট, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজা চৌধুরী, সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বেনু, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক মীর রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক সুমন কুমার সাহা, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শহীদ ইকবাল সদু এবং সদস্য শ্রী নন্দলাল পার্শী।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মহির উদ্দিন মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক জিহাদ মন্ডল, যুগ্ম-সম্পাদক সুমন চৌধুরী, পাঁচবিবি বণিক সমিতির সভাপতি শ্রী ভরত প্রসাদ গোয়ালা, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মঞ্জুরুল শহিদ মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক মিন্নুর, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ রাব্বানী ইস্তি ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সম্পাদিকা আঞ্জুমান-আরা আঞ্জুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
জনসভায় বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও ইউনিট থেকে ব্যানার পোস্টারসহ মিছিল সহকারে এসে নৌকার পক্ষে শ্লোগান দেন দলীয় নেতাকর্মীরা।










