বাংলাদেশের সেলুলয়েড সিনেমার পুরনো আবেগ আর নস্টালজিয়া খুঁজে বেড়ানো এক সৃজনশীল নতুন ধাঁচের চলচ্চিত্র ‘থার্টি ফাইভ’। নির্মাণ করেছেন আশিক মোস্তফা। যেটির প্রিমিয়ার হবে শনিবার (১৪ জানুয়ারি) থেকে শুরু হতে যাওয়া ২১তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে।
একটি প্রজন্ম যারা থার্টি ফাইভ মিলিমিটারে চলচ্চিত্র নির্মাণ করে বড় হয়েছে এবং ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে থার্টি ফাইভ মিলিমিটার এর মতই। এটা বাংলাদেশের মূলধারার চলচ্চিত্র শিল্পের উত্থান-পতনের ইতিহাসের সারমর্মের প্রতিচ্ছবিও বটে।
রবিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল পাঁচটায় জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ‘থার্টি ফাইভ’ চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। এটি ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বাংলাদেশ প্যানারোমা’ বিভাগে মনোনীত হয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে ইরানের সিনেমা-ভেরিটে চলচ্চিত্র উৎসবে হয় ছবিটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার।
অভিনয় দিয়ে চলচ্চিত্রে ক্যারিয়ার শুরুর পর চিত্রগ্রহণে নাম লেখান মাহফুজুর রহমান খান এবং দেশেরঅন্যতম চিত্রগ্রাহক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হন। স্কুলে পড়ার সময় থেকেই তিনি চিত্রগ্রহণে আগ্রহী হন, তারপর বাবার ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে হাতেখড়ি। চিত্রগ্রহণ শেখার উদ্দেশ্যে তিনি জহির রায়হানের ‘লেট দেয়ার বি লাইট’ ছবির সেটে যেতেন। এ ছাড়া রফিকুল বারী চৌধুরী ও আবদুল লতিফ বাচ্চুর কাছ থেকে চিত্রগ্রহণের বিভিন্নবিষয় শিখেছেন। নয় বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রয়াত চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খানের মৃত্যুর তিনবছর পর দর্শকের সামনে আসছে ‘থার্টি ফাইভ’।
আশিক মোস্তফা নির্মিত চলচ্চিত্রটির দৃশ্যধারণ শেষ হওয়ার পর ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে মৃত্যু হয়েছে মাহফুজুর রহমানের। ৩৫ মিলিমিটার যুগের সেই সময়েরএফডিসি কেমন ছিল, কীভাবে দৃশ্য ধারণ করা হতো—মাহফুফুজুর রহমানের বয়ানে তা তুলে ধরা হয়েছে। এতে একটি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী আইরিন সুলতানা।








