বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও লেখক অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান রচিত ‘রবীন্দ্র চিন্তায় দারিদ্র্য ও প্রগতি’ শীর্ষক গ্রন্থের পাঠ উন্মোচন আজ সকালে রাজধানীর বেসরকারি সংগঠন উন্নয়ন সমন্বয় অফিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার নিউমারারি অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ ও নাট্যকার অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার নিউমারারি অধ্যাপক ড.ফকরুল আলম বলেন, আতিউর রহমান রচিত ‘রবীন্দ্র চিন্তায় দারিদ্র্য ও প্রগতি’ শীর্ষক গ্রন্থের প্রতিটি লেখা খুবই প্রাসঙ্গিক। যারা উন্নয়ন-অগ্রগতি বিষয়ে গবেষণা করছেন তাদের এই বইটি নিবিড়ভাবে পড়ার প্রয়োজন রয়েছে। এই বইটি পড়লে রবীন্দ্রনাথের উন্নয়ন ভাবনা সম্পর্কে গভীরভাবে জানা যাবে।
গ্রন্থটির লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস ফেলো, সাবেক বঙ্গবন্ধু চেয়ার ড. আতিউর রহমান বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন মানবিক এবং উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন এক মানুষ। পূর্ববাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি বিশ্বকে আপন চোখে দেখেছেন। এ কারণেই সমকালীন উন্নয়ন ভাবনায় আজকের দিনেও তিনি ভীষণ প্রাসঙ্গিক। কেননা তিনি অনেক আগেই মানবসভ্যতার কথা বলেছেন।
শিক্ষাবিদ ও নাট্যকার অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী বলেন, ইতিহাসে অনেক সত্য লুকিয়ে আছে। সেই সত্য উন্মোচনে আরও কাজ করতে হবে। ড. আতিউর রহমান রচিত ‘রবীন্দ্র চিন্তায় দারিদ্র্য ও প্রগতি’ শীর্ষক গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক নিপাট সত্য ওঠে এসেছে। এই সত্য সবার কাছে পৌঁছে দিতে হবে। রবীন্দ্রনাথ কতোটা মানবিক ছিলেন এবং মানুষের মানবিক চেতনা জাগ্রত করতে কতোটা অগ্রবর্তী চিন্তা করতেন তা বইটির পাতায় পাতায় আছে।
এ ছাড়া তরুণ শিক্ষার্থী হিসেবে পাঠ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরজু আফরিন ক্যাথি। অনুষ্ঠানে ড. আতউর রহমানকে পুস্পস্তবক দিয়ে অভিনন্দন জানান সরকারি তিতুমীর কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর মালেকা আক্তার চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিআইজিডির ভিজিটিং ফেলো, গবেষক খন্দকার সাখাওয়াত আলী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ও গবেষক জাহিদ রহমান।







