সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে একজন বক্তা বক্তব্য দিচ্ছেন।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ
সম্প্রতি দেশে ১৮৪ জন সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। যা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। এবার বিষয়টি উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্রিফিংয়ে।
ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ডিপার্টমেন্টের উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, বাংলাদেশের সব সাংবাদিকের অধিকার ও স্বাধীনতাকে যথাযথভাবে যেন সম্মান করা হয়, তা নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
ব্রিফিংয়ে এই প্রসঙ্গ তুলে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করে বলেন, বাংলাদেশে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) ব্যুরো চিফসহ ১৮৪ সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে বলে সাম্প্রতিক এক খবরে বলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর এই বিধিনিষেধ মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপের বিষয়ে বিবেচনা করছে? সম্প্রতি কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চিঠি লিখেছে। এ বিষয়ে আপনাদের বক্তব্য কী?
জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, আমি ওই প্রতিবেদন দেখিনি। এটা যদি সত্য হয়, তাহলে অবশ্যই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা জোরালোভাবে মনে করি, যেকোন পরিস্থিতি, অবশ্যই বাংলাদেশ পরিস্থিতির জন্য সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা এটা উৎসাহিত ও নিশ্চিত করতে চাই যে সব সাংবাদিকের স্বাধীনতা ও অধিকারকে যথাযথভাবে সম্মান দেখানো হোক।
একজন সাংবাদিক জানতে চান, ১০ নভেম্বর ঢাকায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক সমাবেশ করতে বাধা দেয়ার পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে দেখছে? ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা কী? তার সমর্থকরা এর আগে বাক ও সমাবেশের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলেছেন।
জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, আমরা ভিন্নমতের ও বিরোধীদেরসহ সবার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারে সমর্থন করি। আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এসব স্বাধীনতা যেকোনো গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য উপাদান। আমরা নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারসহ আমাদের সব অংশীদারদের এই সমর্থনের কথা জানাই। দেশের সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে সব বাংলাদেশির জন্য এসব স্বাধীনতা সমুন্নত রাখা এবং রক্ষা করা জরুরি।






