ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্নার মরদেহ বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পুলিশ।
তামাবিল ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, আজ শনিবার পৌনে ১২টার দিকে সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে তার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
তিনি বলেন, নিহতের স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইসহাকের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠাতে ভারত সরকারকে অনুরোধ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়। নানা প্রক্রিয়া অনুসরণ শেষে শনিবার মেঘালয় পুলিশ ইসহাকের মরদেহ তামাবিল পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। মরদেহ হস্তান্তরের সময় উপজেলা প্রশাসন, বিজিবি ও নিহত ইসহাকের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মরদেহ হস্তান্তরের পর নিহতের স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সযোগে সিলেট থেকে রওনা দিয়েছেন।
মেঘালয় পুলিশ জানায়, পোস্টমর্টেম রিপোর্টে বলা হয়েছে— তিনি শ্বাসরোধের কারণে মারা গেছেন। রিপোর্টের ভাষায়, ‘মৃত্যুর কারণ হলো শ্বাসরোধের কারণে সৃষ্ট শ্বাসকষ্ট’। ছাড়াও ইসহাক আলী খান পান্নার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার কপালে আঘাত এবং ক্ষত চিহ্ন রয়েছে বলেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পান্নার বহন করা পাসপোর্ট থেকে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলেও সূত্রগুলো জানিয়েছে।
গত ২৪ আগস্ট রাতে কানাইঘাটের দনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় মেঘালয় রাজ্যের শিলং যাওয়ার পর পাহাড় থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয় বলে তখন জানা গিয়েছিল। ২৬ আগস্ট ভারতে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে উমকিয়াং থানা পুলিশ।
ইসহাক আলী খান পান্না ১৯৯৪ সালের সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের পর দলের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক এবং পরে বিভিন্ন উপ-কমিটি ও পিরোজপুর জেলা আওয়ামী সদস্য হয়েছিলেন তিনি।







