জনপদ

বন্ধ মিটারে ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখিয়ে বিল ২৯ হাজার!

বন্ধ মিটারে ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখিয়ে বিল ২৯ হাজার!
অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

এবার চার মাস বন্ধ থাকা মিটারে মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখিয়ে এক গ্রাহকের নামে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহকের নাম বাবু মোল্যা। তিনি মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের সংকোচখালি গ্রামের বাসিন্দা।

বাবু মোল্যার দাবি, অন্য একটি মিটারের বকেয়া বিল তার বাড়ির মিটারের সঙ্গে যুক্ত করে গত সপ্তাহে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার এই বিল দেওয়া হয়েছে।

বাবু মোল্যা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়ির বিদ্যুৎ বিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে আসে। কিন্তু চলতি মাসের বিলে ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি দেখে আমি খুবই চিন্তিত ও অবাক হয়েছি।

তিনি আরও জানান, মাগুরার পথেরহাট স্ট্যান্ডে তার একটি চায়ের দোকান রয়েছে। প্রায় এক বছর আগে হারুন নামে এক ব্যক্তিকে মিটার স্থাপনের জন্য ৯ হাজার টাকা দেন তিনি। পরে আলাউদ্দিন নামের এক গ্রাহকের পুরোনো একটি মিটার তার দোকানে স্থাপন করা হয়।

বাবু বলেন, ওই মিটার প্রায় সাত মাস চালানোর পর ২৬ হাজার টাকা বকেয়া দেখিয়ে পুর্বের গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর আমার দোকানের লাগানো ওই মিটার প্রায় চার মাস ধরে বিচ্ছিন্ন। এরপরও বিল এসেছে। সেই সাথে আগের গ্রাহকের ওই বকেয়া বিল আমার বাড়ির মিটারের সঙ্গে যোগ করে দেয়া হয়েছে। আমাকে কোনো নোটিশও দেওয়া হয়নি।

মাগুরা জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম (চলতি দায়িত্ব) এস এম শাহিন আহসান বলেন, এই গ্রাহকের নামে অন্য একটি মিটারের বিল বকেয়া ছিল। এ বিষয়ে কয়েকবার নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় বর্তমান মিটারের সঙে পুরোনো বিল যোগ করে দেয়া হয়েছে। এ কারণেই অতিরিক্ত বিল এসেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে মাগুরায় মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে এক নারী গ্রাহকের নামে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি বিল দেওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। ওই ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম), ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারসহ (ডিজিএম) কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার বিলের অভিযোগ সামনে এলো।

বিষয়:গোপালগ্রাম ইউনিয়ন পথেরহাট স্ট্যান্ড বাবু মোল্যা ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…