২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে ১০ উইকেটে জয়, দ্বিতীয়টিতে ৬ উইকেটে জিতে প্রথমবার পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। বছর দুয়েকপর ঘরের মাঠে আবারও অপ্রতিরোধ্য লাল-সবুজের দল। মিরপুরে ১০৪ রানে জয়ের পর সিলেটেও ধারাবাহিক টিম টাইগার্স। ৭৮ রানে জিতে পাকিস্তানকে টানা দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তরা। সিলেট টেস্টে টাইগারদের জয়যাত্রা খুঁটিনাটি দেখে নিন লাইভ ব্লগে….
১১.২৮
পাকিস্তানকে টানা দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
১১.২৭
সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ৭৮ রানে জয়ী
টস: পাকিস্তান (বোলিং)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২৭৮/১০ (৭৭)
লিটন দাস- ১২৬(১৫৯), নাজমুল হোসেন শান্ত- ২৯ (৭৪)
খুররাম শেহজাদ- ৪/৮১ (১৭), মোহাম্মদ আব্বাস- ৩/৪৫ (১৬)
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস- ২৩২/১০ (৫৭.৪)
বাবর আজম- ৬৭ (৮৪), সাজিদ খান- ৩৮ (২৮)
নাহিদ রানা- ৩/৬০ (১২.৪), তাইজুল ইসলাম- ৪/১৪ (১৪)
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস- ৩৯০/১০ (১০২.২)
মুশফিকুর রহিম- ১৩৭ (২৩৩), লিটন দাস- ৬৯ (৯২), মাহমুদুল হাসান জয়- ৫২ (৬৪)
খুররাম শেহজাদ- ৪/৮৬, সাজিদ খান- ৩/১২৬
পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংস- ৩৫৮/১০ (৯৭.২)
মোহাম্মদ রিজওয়ান- ৯৪ (১৬৬), সালমান আঘা- ৭১ (১০২) শান মাসুদ- ৭১(১১৬), সাজিদ খান- ২৮(৩৬)
তাইজুল ইসলাম- ৬/১২০ (৩৪.২), নাহিদ রানা- ২/৭১ (১৮)
১১.২১
শেহজাদকে ফেরালেন তাইজুল, ৭৮ রানে জয় বাংলাদেশের
তাইজুলের বলে ছক্কা হাঁকাতে চেয়েছিলেন খুররম শেহজাদ। তবে লং অনে ধরা পড়েন তানজিদ তামিমের হাতে। ৭৮ রানে সিলেট টেস্টে জয় তুলে নিল বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে পাকিস্তানকে টানা দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
১১.১৪
রিজওয়ানকে ফেরালেন শরিফুল
পঞ্চম দিনে নিজের প্রথম স্পেলে এসেই উইকেট নিলেন শরিফুল ইসলাম। গালিতে মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন রিজওয়ান। ১০ চারে ১৬৬ বলে ৯৪ রান করেন।
১১.০৮
রিজওয়ান-সাজিদ জুটি ভেঙে স্বস্তি ফেরালেন তাইজুল
ক্রমেই বাংলাদেশের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছিলেন রিজওয়ান-সাজিদ। অষ্টম উইকেটে ৫৪ রান করে বিপদ বাড়ান টাইগারদের। দলীয় ৩৫৮ রানে সাজিদকে ফিরিয়ে স্বস্তি ফেরান তাইজুল। স্লিপে নাজমুল হাসান শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজিদ। ৩৬ বলে ২৮ রান করেন।
সাজিদকে ফিরিয়ে নিজের পঞ্চম শিকারের দেখা পেলেন তাইজুল। টেস্টে তাইজুলের ১৮তম ফাইফার এটি।
১০.৫৮
রিজওয়ান-সাজিদ জুটির ফিফটি
অষ্টম উইকেট জুটিয়ে ফিফটি করেছেন রিজওয়ান ও সাজিদ। রিজওয়ান ৯২ রানে এবং সাজিদ ২৮ রানে ব্যাট করছেন। ৯৪ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩৫৬ রান। জিততে এখনও লাগবে ৮১ রান।
১০.৪০
ঝড়ো শুরু পাকিস্তানের
দিনের খেলার শুরুর চার ওভারে ২৫ রান যোগ করেছে পাকিস্তান। ৯০ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩৪১/৭। জিততে তাদের লাগবে আরও ৯৭ রান। রিজওয়ান ৮৮ এবং সাজিদ ১৮ রানে ব্যাট করছেন।
১০.১৫
খেলা শুরু
বৃষ্টি বাধা কাটিয়ে ১০টা ১৫ মিনিটে শুরু হয়েছে পঞ্চম ও শেষদিনের লড়াই। পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জিততে আরও লাগবে ১২১ রান।
৯.৪৮
১০টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে খেলা
যদি আর কোনো বৃষ্টি না হয় তাহলে ১০টা ১৫ মিনিটে গড়াবে পঞ্চম ও শেষদিনের লড়াই।
৯.৪৬
বৃষ্টির কারণে খেলা শুরুতে দেরি
সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে গড়ানোর কথা ছিল পঞ্চম ও শেষদিনের খেলা। তবে সকালে বৃষ্টি নেমেছে সিলেটে। আপাতত বৃষ্টি থামলেও খেলা গড়াতে দেরি হচ্ছে খানিকটা।
৯.২৫
সিলেট টেস্টের পঞ্চম ও শেষদিনে স্বাগতম। মাঠের লড়াইয়ে চালকের আসনে বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে প্রয়োজন ৩ উইকেট, আর সিরিজ বাঁচাতে পাকিস্তানের করতে হবে ১২১ রান। হাতে সময় পুরো দিন। মোহাম্মদ রিজওয়ান ৭৫ রানে এবং সাজিদ খান ৮ রানে শুরু করবেন। সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে শুরু হবে শেষদিনের খেলা।
সিলেট টেস্ট: পঞ্চম দিন (বুধবার)
১৭.৪১
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস: পাকিস্তান (বোলিং)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২৭৮/১০ (৭৭)
লিটন দাস- ১২৬(১৫৯), নাজমুল হোসেন শান্ত- ২৯ (৭৪)
খুররম শাহজাদ- ৪/৮১ (১৭), মোহাম্মদ আব্বাস- ৩/৪৫ (১৬)
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস- ২৩২/১০ (৫৭.৪)
বাবর আজম- ৬৭ (৮৪), সাজিদ খান- ৩৮ (২৮)
নাহিদ রানা- ৩/৬০ (১২.৪), তাইজুল ইসলাম- ৪/১৪ (১৪)
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস- ৩৯০/১০ (১০২.২)
মুশফিকুর রহিম- ১৩৭ (২৩৩), লিটন দাস- ৬৯ (৯২), মাহমুদুল হাসান জয়- ৫২ (৬৪)
খুররাম শেহজাদ- ৪/৮৬, সাজিদ খান- ৩/১২৬
পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংস- ৩১৬/৭
মোহাম্মদ রিজওয়ান- ৭৫* (১৩৪), সালমান আঘা- ৭১ (১০২) শান মাসুদ- ৭১(১১৬)
তাইজুল ইসলাম- ৪/১১৩ (৩১), নাহিদ রানা- ২/৫৮ (১৪)
১৭.৩৮
স্বস্তি নিয়ে চতুর্থ দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ
সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের দুর্দান্ত জুটিতে এক পর্যায়ে রেকর্ড গড়ে জেতার স্বপ্ন দেখছিল পাকিস্তান। তবে ১৩৪ রানের সেই জুটি ভেঙে সালমানকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান তাইজুল ইসলাম। এরপর নেন হাসান আলীর উইকেটও। শেষ দিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ১২১ রান আর বাংলাদেশের দরকার ৩ উইকেট।
রিজওয়ান ৭৫ রানে এবং সাজিদ ৮ রানে অপরাজিত আছেন।
১৭.৩৬
তাইজুলের জোড়া আঘাত
আগের ওভারে সালমানের উইকেট শিকারের পর, পরের ওভারে বল হাতে এসেই উইকেট শিকার করেছেন তাইজুল ইসলাম। এবার ফিরিয়ে দিলেন হাসান আলীকে। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে গেছেন তিনি।
৮৪ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১২ রান। জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ১২৫ রান আর বাংলাদেশের তিন উইকেট।
১৭.১৩
অবশেষে জুটি ভাঙলেন তাইজুল
মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আঘার ১৩৪ রানের জুটি ভাঙলেন তাইজুল ইসলাম। পাকিস্তানকে রেকর্ড রান তাড়া করার পথে রাখা সালমানকে বোল্ড করেছেন এ স্পিনার। ফেরার আগে সালমান খেলেছেন ৭১ রানের ইনিংস।
১৬.৩৮
ম্যাচে ফেরার চেষ্টায় পাকিস্তান
পাকিস্তানের দুই ব্যাটার রিজওয়ান ও সালমান আঘা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। ইতিমধ্যে দুই ব্যাটার ফিফটি তুলে নিয়েছেন। শেষ বিকেলে ভিন্ন কিছুর অপেক্ষায় বাংলাদেশ।
১৬.৩৩
পাকিস্তানের বড় পরাজয়ের রেকর্ড
পাকিস্তান সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারার রেকর্ডটি ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সেবার ওয়াকাতে ৪৯১ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছিল দলটি। এরপরের দুটি হারই ভারতের বিপক্ষে। ১৯৯৯ সালে দিল্লিতে ২১২ রানে হেরেছিল এবং ২০০৫ সালে তৃতীয় সর্বোচ্চ হারের রেকর্ডটি হয়েছিল ইডেন গার্ডেন্সে ওই ভারতের বিপক্ষে।
১৫.৫৮
পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রানের জয়
পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাওয়া জয় দলটির বিপক্ষে সর্বোচ্চ রানের জয়ের রেকর্ড বাংলাদেশের। মিরপুরে ১০৪ রানে শান মাসুদদের হারিয়েছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে আগের দুটি জয়ের একটিতে ১০ উইকেট ও আরেকটি ৬ উইকেটের বড় জয় তুলেছিল বাংলাদেশ।
১৫.৫১
দেশের মাটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জয়
দেশের মাটিতে সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ রানের জয় আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ২০২৩ সালে মিরপুরে আফগানদের বিপক্ষে ৫৪৬ রানের বড় জয়টি তুলেছিল টিম টাইগার্স। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জয়টি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে। চট্টগ্রামে হওয়া ওই ম্যাচে ২২৬ রানের বড় জয় তুলেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের জয়টিও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২২০ রানের।
১৪.৪১
এগিয়ে থেকে চা বিরতিতে বাংলাদেশ
বাবর আজম ও শান মাসুদকে আউট করে বেশ খানিকটা এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। দুই সেশন খেলে পাকিস্তান ২০০ রান তুলেছে ৫ উইকেট হারিয়ে। ক্রিজে আছেন স্বীকৃত দুই ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আঘা।
১৪.০১
শান ফিরলেন, জয়ের সুবাতাস পাচ্ছে বাংলাদেশ
সৌদ শাকিলের আউটের পর তাইজুল ইসলাম আউট করেছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক শান মাসুদ। শর্ট স্লিপে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন মাহমুদুল হাসান জয়। শানের ব্যাট থেকে এসেছে ৭১ রান।
১৩.৫৫
শাকিলকে আউট করলেন নাহিদ
ভালো খেলতে থাকা সৌদ শাকিলকে ফিরিয়েছেন নাহিদ রানা। স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে এজ হয়, উইকেটের পেছনে ক্যাচ ধরেন লিটন দাস। রিভিউ নেয়ার পর দেখা যায় বল ব্যাটে লেগেছে। আম্পায়ার নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন।
১৩.১৫
ভাঙলো জুটি, ফিরলেন বাবর
প্রথম সেশনে দুই উইকেট পড়ার পর ৯২ রানের জুটি গড়েছিলেন বাবর আজম ও শান মাসুদ। এ জুটিকে ভেঙেছেন তাইজুল ইসলাম। উইকেটের পেছনে ভালো ক্যাচ নিয়েছেন লিটন দাস। বাবরের থেকে এসেছে ৪৭ রান।
১৩.১৩
শানের ফিফটি
পাহাড়সম রানের তাড়ায় ফিফটি তুলে নিয়েছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক শান মাসুদ। তার ফিফটি এসেছে ৮২ বলে। তার ইনিংসে ছয়টি চারের মার ছিল।
১২.০২
পাকিস্তানের শতরান
চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে ১০০ রান তুলেছে পাকিস্তান। দুই উইকেট পড়ার পর ৬০ রানের জুটি গড়েছেন অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর আজম। শান ৪১ ও বাবর ২৪ রানে অপরাজিত আছেন।
১১.৫৭
দ্রুত রান তোলার চেষ্টা পাকিস্তানের
প্রথম সেশনে দুই উইকেট পড়ার পর দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। দুই ব্যাটার শান মাসুদ ও বাবর আজম ৫৫ রানের জুটি গড়েছেন।
১১.১৪
মিরাজ ফেরালেন আজানকে
পাকিস্তানের প্রথম ওপেনার ফজলকে ফিরিয়েছিলেন নাহিদ রানা, অপর ওপেনারকে ফিরিয়েছেন মেহেদী মিরাজ। লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়া আজান আওয়াইস করেছেন ২১ রানা। রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি তার।
১০.৪৪
নাহিদে প্রথম সাফল্য বাংলাদেশের
চতুর্থ দিন সকালে বেশ পিটিয়ে খেলার চেষ্টায় ছিল পাকিস্তান। তাসকিন ও শরিফুলের বলে কাজ হচ্ছিলো না, শান্ত আনেন নাহিদ রানাকে। নিজের দ্বিতীয় ওভারেই আবদুল্লাহ ফজলকে আউট করে শুরুটা করেন নাহিদ।
১৭.৩০
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস: পাকিস্তান (বোলিং)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২৭৮/১০ (৭৭)
লিটন দাস- ১২৬(১৫৯), নাজমুল হোসেন শান্ত- ২৯ (৭৪)
খুররম শাহজাদ- ৪/৮১ (১৭), মোহাম্মদ আব্বাস- ৩/৪৫ (১৬)
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস- ২৩২/১০ (৫৭.৪)
বাবর আজম- ৬৭ (৮৪), সাজিদ খান- ৩৮ (২৮)
নাহিদ রানা- ৩/৬০ (১২.৪), তাইজুল ইসলাম- ৪/১৪ (১৪)
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস- ৩৯০/১০ (১০২.২)
মুশফিকুর রহিম- ১৩৭ (২৩৩), লিটন দাস- ৬৯ (৯২), মাহমুদুল হাসান জয়- ৫২ (৬৪)
খুররাম শেহজাদ- ৪/৮৬, সাজিদ খান- ৩/১২৬
পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংস- ০/০
আজান আওয়াইস- ০(৬), আব্দুল্লাহ ফজল- ০ (৬)
১৭.২১
শেষ বিকেলে কেবল ২ ওভার খেলল পাকিস্তান
শেষ বিকেলে ২ ওভার খেলার সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান, তবে কোনো রান নিতে পারেননি দুই ওপেনার আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল। আলোকস্বল্পতায় আগেভাগেই দিনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন আম্পায়াররা। নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই মাঠ ছেড়ে গেল দুই দল।
১৭.০০
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস: পাকিস্তান (বোলিং)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২৭৮/১০ (৭৭)
লিটন দাস- ১২৬(১৫৯), নাজমুল হোসেন শান্ত- ২৯ (৭৪)
খুররম শাহজাদ- ৪/৮১ (১৭), মোহাম্মদ আব্বাস- ৩/৪৫ (১৬)
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস- ২৩২/১০ (৫৭.৪)
বাবর আজম- ৬৭ (৮৪), সাজিদ খান- ৩৮ (২৮)
নাহিদ রানা- ৩/৬০ (১২.৪), তাইজুল ইসলাম- ৪/১৪ (১৪)
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস- ৩৯০/১০ (১০২.২)
মুশফিকুর রহিম- ১৩৭ (২৩৩), লিটন দাস- ৬৯ (৯২), মাহমুদুল হাসান জয়- ৫২ (৬৪)
খুররাম শেহজাদ- ৪/৮৬, সাজিদ খান- ৩/১২৬
১৬.৫৭
বাংলাদেশ অলআউট ৩৯০, লিড ৪৩৬
পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। সেঞ্চুরিতে ১৩৭ রান করেছেন যার মধ্যে ১২টি চার ও একটি ছক্কার মার ছিল। সবমিলে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ৪৩৬, জয়ের জন্য পাকিস্তানের লাগবে ৪৩৭।
১৬.৪৬
জয়ের জন্য বিশ্বরেকর্ড গড়তে হবে পাকিস্তানকে
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিলেটে সিরিজে সমতায় আসার জন্য বিশ্বরেকর্ড গড়তে হবে পাকিস্তানকে। চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪১৮ তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজের, করেছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে যে লিড দিয়েছে তা আগের রান ছাড়িয়ে গেছে।
আর বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৩৯৫ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডও ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে। সেবার চট্টগ্রামে ৩৯৫ রান করে জিতেছিল উইন্ডিজরা।
১৬.২৬
অষ্টম উইকেটের পতন বাংলাদেশর
১৩ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তাসকিন আহমেদ। হাসান আলীর বলে ক্যাচ তুলে দেন সালমান আঘার হাতে
১৬.১১
৪০০ রানের লিড বাংলাদেশের
দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৩.১ বলে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৫৪ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।
১৬.০৬
মুশফিক-তাইজুলের জুটি ভাঙল
মুশফিক-তাইজুলের ১২৮ বলের ৭৭ রানের জুতি ভেঙেছে। সাজিদ খানের বলে উড়িয়ে মেরেছেন তাইজুল ইসলাম, সে ক্যাচ তালু বন্দী করেছেন মোহাম্মদ আব্বাস। ৫১ বলে ২২ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।
১৫.২৮
মুশফিকের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি
মুমিনুল হককে (১৩টি) টপকে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি এখন মুশফিকুর রহিমের (১৪)।
১৫.২৬
মুশফিকের সেঞ্চুরি
টেস্ট ক্রিকেটে ১৪তম সেঞ্চুরির দেখা পেলেন মুশফিকুর রহিম। ৯টি চার এবং ১ ছক্কায় ১৭৮ বলে ১০৩ রান করেছেন তিনি।
১৪.৪৭
দ্বিতীয় সেশনও বাংলাদেশের
প্রথম সেশনের পর দ্বিতীয় সেশনও নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই সেশনে আউট হয়েছেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে সাড়ে তিনশো রানের বেশি, দ্বিতীয় ইনিংসে তিনশো রান পেরিয়েছে। সেঞ্চুরির একদম কাছে ৯০ রানে মুশফিক এবং ৮ রানে তাইজুল ইসলাম অপরাজিত আছেন।
১৪.৩৮
দ্বিতীয় ইনিংসে তিনশো, সাড়ে তিনশো লিড
দ্বিতীয় ইনিংসে বেশ কয়েকটি জুটির মাধ্যমে তিনশ রান পেরিয়েছে বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলিয়ে সাড়ে তিনশো রানের লিডের পথে টিম টাইগার্স। সেঞ্চুরির পথে মুশফিক, সঙ্গে আছে তাইজুল ইসলাম।
১৪.০৫
মিরাজের বিদায়
তিনশ রানের লিড পেরিয়ে আউট হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। খুররাম শেহজাদের বলে বোল্ড হয়েছেন এ ডানহাতি ব্যাটার। তার থেকে এসেছে ১৯ রান।
১৩.৫৪
তিনশ পেরিয়ে বাংলাদেশের লিড
দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে তিনশ রানের লিড পেরিয়েছে বাংলাদেশ। ফিফটি করে আউট হয়েছেন লিটন দাস। মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গ দিচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
১৩.১৯
পঞ্চম উইকেটের পতন বাংলাদেশের
হাসান আলীর বলে উড়িয়ে মেরেছেরন লিটন দাস, সেই ক্যাচ তালু বন্দী করেন সৌদ শাকিল। ৯২ বলে ৬৯ করে ফিরেছেন বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
১৩.১৫
মুশফিকের ফিফটি
লিটন দাসের পর মুশফিকুর রহিমও ফিফটি তুলে নিয়েছেন। তার ফিফটি এসেছে ১০১ বলে। সুবিধাজনক অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।
১২.৫০
লিটনের ফিফটি
প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি করেছেন লিটন দাস। সকালে নাজমুল হোসেন শান্তর আউটের পর ব্যাটে নেমে ফিফটি তুলে নেন। তার ইনিংসে চারটি চারের মার রয়েছে।
১২.০৫
মধ্যাহ্ন বিরতি
তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন ভালোভাবে শেষ করেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ২৪৯ রান। ব্যাটিং করছেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম।
১১.১৫
২০০ রানের লিড
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের লিড ২০০ রান ছাড়িয়েছে। ২৩ রানে লিটন দাস ও ১৭ রানে মুশফিকুর রহিম ব্যাটিং করছেন।
১১.০৫
দলীয় ১৫০ রানে বাংলাদেশ
তৃতীয় দিনের শুরুতে নাজমুল হোসেন শান্তর আউটের পর লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম সামলে নিয়েছেন। তাদের ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৫০ হয়েছে।
১০.২৩
দিনের প্রথম উইকেট হারাল বাংলাদেশ
খুররম শাহজাদের বলে এলবিডাব্লিউতে আউট হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৪৫ বলে ১৫ করে সাজঘরে ফিরেছেন অনিধায়ক। ৩০.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ ১১৫। ১৬১ রানের লিডে আছে স্বাগতিকরা
২০.১০
মাঝে মাঝে আমরা যা পরিকল্পনা করি বা যে লক্ষ্য নির্ধারণ করি, তা অর্জিত হয় না
১৯.৩৫
শেষদিকে তাইজুল ভাই, তাসকিন ভাই ও শরিফুলের ব্যাটিংও ভালো ছিল
১৭.৩৮
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস: পাকিস্তান (বোলিং)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২৭৮/১০ (৭৭)
লিটন দাস- ১২৬(১৫৯), নাজমুল হোসেন শান্ত-২৯ (৭৪)
খুররম শাহজাদ- ৪/৮১ (১৭), মোহাম্মদ আব্বাস- ৩/৪৫ (১৬)
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস- ২৩২/১০ (৫৭.৪)
বাবর আজম- ৬৭ (৮৪), সাজিদ খান- ৩৮ (২৮)
নাহিদ রানা- ৩/৬০ (১২.৪), তাইজুল ইসলাম- ৪/১৪ (১৪)
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস- ১১০/৩ (২৬.৪)
মাহমুদুল হাসান জয়- ৫২ (৬৪), মুমিনুল হক- ৩০ (৬০)
খুররম শেহজাদ- ২/১৯ (৫.৪)
১৭.৩৬
শেষ বিকেলে মুমিনুল আক্ষেপ
ভালোই খেলছিলেন মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে ৬০ বলে ৩০ রান করে ফিরেছেন তিনি।
২৬.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১১০ রান।
১৭.২৫
১০০ পেরোল বাংলাদেশ
শেষ বিকেলে আর কোন বিপদ টেনে আনতে চাইছেন না মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দেখে শুনেই খেলছেন তারা দুজন। তাতে ১০০ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের রান। লিড ১৪৯।
২৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১০৫ রান করেছে বাংলাদেশ।
১৭.০০
দ্বিতীয় উইকেটের পতন বাংলাদেশের
ফিফটি করেই মোহাম্মদ আব্বাসের বলে উড়িয়ে মারেন মাহমুদুল হাসান জয়। উঠিয়ে দেয়া সেই ক্যাচ ডিপ স্কয়ার লেগ অঞ্চলে তালু বন্দী করেন সালমান আঘা।
১৬.৫০
মাহমুদুলের ফিফটি
১০ চারের সাহয্যে ৫৮ বলে ৫১ করেছেন মাহমুদুল হাসান জয়।
১৩.২২
শুরুতেই আউট তানজিদ
দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই উইকেট হারাল বাংলাদেশ। খুররম শেহজাদের বলে শাকিলকে ক্যাচ দিয়েছেন তানজিদ হাসান। অভিষিক্ত এই বাঁহাতি ব্যাটার ৭ বলে করেছেন ৪ রান।
৫ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ এক উইকেটে ২০ রান।
১৫.২৮
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস: পাকিস্তান (বোলিং)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২৭৮/১০ (৭৭)
লিটন দাস- ১২৬(১৫৯), নাজমুল হোসেন শান্ত-২৯ (৭৪)
খুররম শাহজাদ- ৪/৮১ (১৭), মোহাম্মদ আব্বাস- ৩/৪৫ (১৬)
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস- ২৩২/১০ (৫৭.৪)
বাবর আজম- ৬৭ (৮৪), সাজিদ খান- ৩৮ (২৮)
নাহিদ রানা- ৩/৬০ (১২.৪), তাইজুল ইসলাম- ৪/১৪ (১৪)
১৫.১৫
২৩২ রানে অলআউট পাকিস্তান
দিনের তৃতীয় সেশনে কেবল ১৬ বল টিকল পাকিস্তান। খুররম শেহজাদের পর সাজিদ খানের উইকেটও নিয়েছেন নাহিদ রানা।
পাকিস্তানের ইনিংস থেমেছে ২৩২ রানে। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭৮ করায় লিড হয়েছে ৪৬ রানের।
১৫.৮
পাকিস্তানের নবম উইকেটের পতন
১০ বলে ১০ রান করে নাহিদের বলে ক্যাচ তুলে আউট হন খুররম শাহজাদ। শর্ট লেগ অঞ্চলে মাহমুদুল হাসান জয়ের কাছে তালু বন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
১৪.৪৫
দ্বিতীয় সেশনটাও বাংলাদেশের
প্রথম সেশনে চার উইকেটের পর দ্বিতীয় সেশনে আরও চার উইকেট শিকার করেছে বাংলাদেশ। তাতে চালকের আসনেই আছে স্বাগতিক দল।
চা বিরতির আগে ৫৫ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২০৬ রান করেছে পাকিস্তান।
১৩.৪০
তাইজুলের তৃতীয় শিকার
হাসান আলীও উইকেট বিলিয়ে দিলেন। তাইজুলের বলে লং অনে ক্যাচ দিয়েছেন হাসান। দুই বারের চেষ্টায় দারুণ ক্যাচ নিয়েছেন নাহিদ রানা। হাসান ১৮ রান করে আউট হয়েছেন।
৫৩ ওভারে পাকিস্তানের রান ৮ উইকেটে ১৯৪।
১৪.২৫
তাইজুলের দ্বিতীয় শিকার রিজওয়ান
২৭ বলে ১৩ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে বোল্ড করলেন তাইজুল ইসলাম। ৫২ ওভারে ৭ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ ১৮৪।
১৩.৪০
তাইজুলের প্রথম সাফল্য
তাইজুল ইসলামের বলে মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন সালমান আলি আঘা। ৫১ বলে ২১ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। ৪৩ ওভারে পাকিস্তানের রান ৬ উইকেটে ১৫০। ১২ বলে ৭ রানে খেলছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, নতুন ব্যাটার হাসান আলি।
১৩.৩০
বাবরকে ফেরালেন নাহিদ
পঞ্চম উইকেট জুটিতে পঞ্চাশোর্ধ রান আসে বাবর-সালমানের জুটিতে। সেই জুটি ভাঙলেন নাহিদ রানা। মিড অনে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। ৮৪ বলে ৬৮ রান এসেছে বাবরের ব্যাট থেকে।
৪০ ওভারে পাকিস্তানের রান ৫ উইকেটে ১৪৩। ৪৮ বলে ২০ রানে খেলছেন সালমান আর মোহাম্মদ রিজওয়ানের ব্যাট থেকে এসেছে এক রান।
১৩.২২
বাবর-সালমানের জুটিতে পঞ্চাশ
পঞ্চম উইকেট জুটিতে পাকিস্তানকে টানছেন বাবর আজম ও সালমান আলি আঘা। তাদের জুটিতে পঞ্চাশ এসেছে ৭৪ বলে।
৩৭ ওভারে পাকিস্তানের রান ৪ উইকেটে ১২৯। ৭৪ বলে ১০ চারে ৬০ রানে খেলছেন বাবর। ৪১ বলে দুই চারে সালমানের রান ১৬।
১২.৫০
বাবরের ফিফটি
৬৩ বলে ফিফটি করলেন বাবর আজম। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি বাবরের ৩১তম ফিফটি। ৩৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ ১১৮ রান।
১২.০৯
৪ উইকেট নিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে বাংলাদেশ
প্রথম সেশনটা নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন। ৩০ ওভার শেষে ৪ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৯৬ রান।
১১.৪০
মিরাজের দ্বিতীয় সাফল্য
সৌদ শাকিলকে ফিরিয়ে আবার জুটি ভাঙলেন মিরাজ। ২৮ বলে ৮ রান করে ফিরেছেন তিনি। ২৫ ওভারের ৪ উইকেট পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭৯ রান।
১১.০৫
মাসুদকে ফেরালেন মিরাজ
উইকেটের অপেক্ষাটা দীর্ঘ হল না বাংলাদেশের। শান মাসুদকে আউট করে তার সঙ্গে বাবরের ৩৮ রানের জুটি ভেঙেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ২৬ বলে ২১ রান করে ফিরেছেন মাসুদ। ৩ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়াল ৬১ রান।
১০.২২
তাসকিনের দ্বিতীয় শিকার
তাসকিনের বলে ক্যাচ তুলে দেন আজান আওয়াইস। শর্ট লেগে মুমিনুল হাতে তুলে নিলে ৩৪ বলে ১৩ করে ফিরেন এ ওপেনার।
১০.১০
দিনের শুরুতেই উইকেট হারাল পাকিস্তান
তাসকিনের বলে লিটনের গ্লাভসে ক্যাচ তুলে ফিরেছেন আব্দুল্লাহ ফজল। ২১ বলে ৯ করে সাজঘরে যান তিনি।
১৪.৫০
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস: পাকিস্তান (বোলিং)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২৭৮/১০ (৭৭)
লিটন দাস- ১২৬(১৫৯), নাজমুল হোসেন শান্ত-২৯ (৭৪)
খুররম শাহজাদ- ৪/৮১ (১৭), মোহাম্মদ আব্বাস- ৩/৪৫ (১৬)
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস- ২১/০ (৬)
আজান আওয়াইস- ১৩* (২০), আব্দুল্লাহ ফজল- ৮* (১৬)
১৭.৩৮
২১ রান করে দিনের শেষ করল পাকিস্তান
দিনের শেষ বেলায় ৬ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান। তাতে কোন উইকেট না হারিয়ে ২১ রান করেছে সফরকারীরা। ১৩ রানে আজান আওয়াইস ও ৮ রানে আব্দুল্লাহ ফজল অপরাজিত আছেন।
১৭.০১
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস: পাকিস্তান (বোলিং)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২৭৮/১০ (৭৭)
লিটন দাস- ১২৬(১৫৯), নাজমুল হোসেন শান্ত-২৯ (৭৪)
খুররম শাহজাদ- ৪/৮১ (১৭), মোহাম্মদ আব্বাস- ৩/৪৫ (১৬)
১৬.৫৮
লিটনের ১২৬
সীমানায় ক্যাচ দিয়ে থামলেন লিটন দাস। হাসানের বলে আউট হওয়ার আগে ১৫৯ বলে ১২৬ রান করেছেন তিনি। দুর্দান্ত এ ইনিংসটি খেলার পথে ১৬টি চার ও দুইটি ছক্কার মার মারেন ডানহাতি উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
১৬.২৮
লিটনের সেঞ্চুরি
টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি করলেন লিটন দাস। ১৩৫ বলে ১৩ চার ও এক ছক্কায় সেঞ্চুরি করেছেন ডানহাতি এ উইকেটরক্ষক ব্যাটার। উইকেটে যখন তিনি এসেছেন তখন বাংলাদেশের রান ছিল ৪ উইকেটে ১০৬। এরপর দ্রুতই ফেরেন মুশফিক ও মিরাজ। বাকি কাজটা লিটন করেছেন লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের নিয়েই।
১৬.২০
রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন শরিফুল
সাজিদ খানের প্রথম বলে সিঙ্গেল নিলেন লিটন দাস। পৌঁছে গেলেন ৯৯ রানে। পরের বলে বাউন্ডারি পেলেন শরিফুল ইসলাম। তৃতীয় বলে বলের লাইনে যেতে পারলেন না বাঁহাতি ব্যাটার। জোরাল আবেদনে সাড়া দিলেন আম্পায়ার। তবে রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেলেন শরিফুল। বল বেরিয়ে যেত লেগ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে।
৭০ ওভারে বাংলাদেশের রান ৮ উইকেটে ২৪৩।
১৫.৫০
ফিরলেন তাসকিন
৭ রান করে শেহজাদের বলে আউট হলেন তাসকিন আহমেদ। লিটন অপরাজিত ৭৫ রানে।
৬৫ ওভারে বাংলাদেশের রান ৮ উইকেটে ২১৪।
১৫.৩২
লিটনের ফিফটি
চাপের মুখে লোয়ার অর্ডারের ব্যাটাদের সঙ্গে নিয়েই টেস্ট ক্যারিয়ারের ২০তম ফিফটি তুলেছেন লিটন দাস। ৯৩ বলে পঞ্চাশের দেখা পেয়েছেন তিনি।
৫৯ ওভারে বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ১৮৮। ৫১ রানে খেলছেন লিটন। ৬ রানে ব্যাট করছেন তাসকিন।
১৫.২৩
ফিরলেন তাইজুল
৪০ বলে ১৬ রান করা তাইজুল ইসলামকে বোল্ড করলেন সাজিদ। নতুন ব্যাটার তাসকিন।
৫৮ ওভারে ৭ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৮০ রান।
১৪.৫০
লিটন-তাইজুল জুটিতে ৫০
সপ্তম উইকেট জুটিতে ৫০ রানের জুটি গড়েছেন লিটন ও তাইজুল। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে এই জুটির ৪২ রানই এসেছে লিটনের ব্যাটে। ৫৮ ওভারে ৬ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৬৮ রান।
১৪.২৫
দেড়শ ছাড়িয়ে বাংলাদেশ
তাইজুল ইসলামকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টায় লিটন দাস। ৩২ রানে ব্যাটিং করছেন উইকেটরক্ষক এ ব্যাটার। তাইজুল ৭ রানে। ৪৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৫৩ রান।
১৩.৪২
মিরাজও আউট
৪ রান করে আউট হলেন মিরাজ। খুররম শেহজাদের বাউন্সারে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন মিরাজ। লাঞ্চের পর ১৫ রান তুলতে এ নিয়ে ৩ উইকেট হারাল বাংলাদেশ।
১৩.২৫
এবার ফিরলেন মুশফিক
খুররম শেহজাদের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন মুশফিক। ফিরেছেন ৬৪ বলে ২৩ রান করে।
৩৭ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১১২ রান।
১৩.১০
শান্তকে ফেরালেন আব্বাস
লাঞ্চের পর বেশি সময় টিকে থাকতে পারলেন না অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ২৯ রান করে ফিরেছেন তিনি।
১৩.০০
রিভিউ নেয়নি পাকিস্তান
সাজিদের বলে জীবন পেলেন মুশফিক। লাঞ্চের পর ব্যাটিংয়ে নামা মুশফিক উইকেটকিপার রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন। ফিল্ড আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নেয়ার জন্য আলোচনা করেও শেষ পর্যন্ত নেয়নি পাকিস্তান।
৩০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০৫ রান।
১১.৩০
১০০ পেরিয়ে বাংলাদেশ, চলছে মধ্যাহ্ন বিরতি
শেষ হল প্রথম সেশনের খেলা। এই সেশনে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬ ওভারে ১০১ রান। চতুর্থ উইকেটে মুশফিক ও শান্ত ৩৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন। মুশফিক ১৮ ও শান্ত ২৬ রানে অপরাজিত থেকে মধ্যাহ্ন বিরতিতে গেছে।
পাকিস্তানের হয়ে আব্বাস ২টি এবং শাহজাদ এক উইকেট শিকার করেছেন।
১১.৩০
মুমিনুল বোল্ড
৪১ বলে ২২ রান করে খুররম শাহজাদের বলে বোল্ড হয়ে ফিরলেন মুমিনুল হক। ১৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৭৮ রান।
১০.৫৯
ফিরলেন তানজিদ হাসান
মোহাম্মদ আব্বাসের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। ৩৪ বলে ২৬ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
১৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৫৫ রান।
১০.৯
শুরুতেই আউট মাহমুদুল
টেস্টের প্রথম দিনে সকালের সেশনে কেবল দুই বল খেলেই আউট হয়ে ফিরলেন মাহমুদুল হাসান জয়। শূন্য রানে আউট হলেন তিনি। মিরপুর টেস্টেও তেমন ভালো করতে পারেননি তিনি, ৮ ও ৫ রান করেছিলেন।
৯.৪০
পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন
বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে একাদশে ফিরেছেন বাবর আজম, সাজিদ খান ও খুররম শেহজাদ। বাদ পড়েছেন ইমাম উল হক, নোমান আলি ও শাহীন শাহ আফ্রিদি।
৯.৩৭
পাকিস্তান একাদশ
আজান আওয়াইস, শান মাসুদ (অধিনায়ক), বাবর আজম, আব্দুল্লাহ ফজল, সৌদ শাকিল, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), সালমান আগা, খুররম শাহজাদ, সাজিদ খান, হাসান আলী ও মুহাম্মদ আব্বাস।
৯.৩৯
ফিরেছেন শরিফুল
ইবাদত হোসেনের বদলে সুযোগ পেয়েছেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম।
৯.৩৫
তানজিদ হাসানের অভিষেক
টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হচ্ছে সাদা বলের ক্রিকেটে থিতু হয়ে যাওয়া তানজিদ হাসান তামিমের। ম্যাচের আগে তাকে ক্যাপ পরিয়ে দিয়েছেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২৫ ম্যাচে ৪০.৪২ গড়ে ১৭৯২ রান করেছেন, আছে ৫টি সেঞ্চুরিও।
৯.৩২
বাংলাদেশ একাদশ
নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান জয়, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা , শরিফুল ইসলাম।
৯.৩০
টস
সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ।
৯.১০
পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে খেলার সময় বুকে আঘাত পান বাংলাদেশের বাঁহাতি ওপেনার সাদমান ইসলাম।








