গোড়ালির চোটের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের স্কোয়াডে নেই তাসকিন আহমেদ। বাঁ পায়ের গোঁড়ালির হাড়ে অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে অন্তত আরও একমাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে টাইগার পেসারকে।
চোটের কারণে ইংল্যান্ডে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন এই পেসার। সেখানে একজন অ্যাঙ্কল সার্জন, একজন স্পোর্টস ফিজিশিয়ান এবং একজন স্পোর্টস ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিয়েছেন। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী অস্ত্রোপচার ছাড়াই তাসকিনের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে এক মাসের পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে বলা হয়েছে তাকে।
মঙ্গলবার তাসকিনের শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ইংল্যান্ডে তার সঙ্গে ছিলেন বিসিবির সিনিয়র ফিজিশিয়ান ডা. দেবাশীষ চৌধুরী।
দ্রুতই তাসকিনের উন্নতির ব্যাপারে আশাবাদী বিসিবি। বিসিবির পাঠানো বিবৃতিতে ডা. দেবাশীষ বলেছেন, ‘বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই মুহূর্তে তাসকিনের জন্য রক্ষণশীল, অর্থাৎ অস্ত্রোপচারবিহীন চিকিৎসাই সর্বোত্তম পদ্ধতি। পুনর্বাসন প্রোগ্রামটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ধাপে ধাপে তার ফিটনেস ফিরে আসে এবং টেন্ডনের সমস্যা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকে। আমরা তার উন্নতির ব্যাপারে আশাবাদী।’
গত বছরের অক্টোবর থেকে গোড়ালিতে ব্যথা অনুভব করছিলেন তাসকিন। সেই ব্যথা নিয়েই ম্যাচও খেলছিলেন। তবে ধীরে ধীরে ব্যথা বাড়তে থাকে। গত ২৭ এপ্রিল লন্ডনে যান তাসকিন।
চোটের কারণে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে খেলতে পারেননি তাসকিন। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজের দলেও তাকে রাখা হয়নি।
জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শ্রীলঙ্কার মাটিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ওই মাসের প্রথম সপ্তাহেই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা তাসকিনের। শ্রীলঙ্কা সিরিজ দিয়েই তাসকিনের ফেরার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে দেবশীষ বলেন, ‘তাসকিনের পুনর্বাসন সফলভাবে সম্পন্ন হলে, জুনের শুরুতে তিনি ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাবেন বলে আশা করা যায়।’








