ক্যালেন্ডারের পাতার হিসাবে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনো ১৫ দিন বাকি। চার গ্রুপে ভাগ হয়ে ২০ দলের আসরের সূচি আগেই চূড়ান্ত হয়েছে। গ্রুপপর্ব পেরিয়ে আটটি দল সুপার এইটে খেলবে। সেখান থেকে চার দল সেমিফাইনালে যাবে। কারা হবে সেমিফাইনালিস্ট, তা নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ। তবে সেমিফাইনাল নিয়ে অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটতে চলেছে। শেষ চারে উঠতে পারলে ভারতের জন্য নির্ধারিত হয়ে আছে দিনক্ষণ ও ভেন্যু।
গায়ানার প্রোভিডেন্সে ২৭ জুন গড়াবে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। আইসিসির টুর্নামেন্টের জন্য প্লেইং কন্ডিশন অনুযায়ী টিম ইন্ডিয়া সেমিতে উঠলে এই ম্যাচটি খেলবে।
ভারতের জন্য দ্বিতীয় সেমিফাইনাল নির্ধারণ করে দেয়ার মূল কারণ সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক। ত্রিনিদাদের তারউবাতে প্রথম সেমিফাইনালটি শুরু হবে ২৬ জুন, স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে। ভারতের সময় তখন দাঁড়াবে ২৭ জুন, সকাল ৬টা। গায়ানার সেমিফাইনালটি শুরু হবে স্থানীয় সময় ২৭ জুন, সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে। ভারতে তখন ঘড়ির কাটায় বাজবে রাত ৮টা ৩০ মিনিট, যা টিভি দর্শক টানার জন্য বেশ উপযুক্ত।
দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জন্য কোনো রিজার্ভ ডে থাকবে না। পরিবর্তে ম্যাচের জন্য ২৫০ মিনিট অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ থাকবে। অতিরিক্ত সময় যোগের কারণ টুর্নামেন্টের সময়সূচি অনুযায়ী দ্বিতীয় সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের মধ্যে মাত্র একদিনের ব্যবধান রয়েছে। তাই রিজার্ভ ডে’র জন্য সময় বরাদ্দ রাখা সম্ভব নয়। অবিরাম বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেসে গেলে কী হবে, সেই সংশয়টা তাই থেকেই যাচ্ছে।
প্রথম সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের জন্য বরাদ্দকৃত ১৯০ মিনিটের পরিবর্তে রিজার্ভ দিন রয়েছে। আবহাওয়াজনিত কারণে খেলায় বিঘ্ন ঘটলে তা শেষের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে।
সাধারণ নিয়মে টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে ফলাফল বের করতে দুই দলকে কমপক্ষে ৫ ওভার ব্যাটিং করতে হয়। কিন্তু বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনালের নিয়মে আনা হয়েছে ভিন্নতা। এই তিন খেলায় দুই দলকে অন্তত ১০ ওভার ব্যাটিং করতে হবে। অস্ট্রেলিয়ায় ২০২২ সালে হওয়া টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও এই নিয়ম প্রযোজ্য ছিল।







