স্টেম দিবস: চাকরির বাজার বদলে যাচ্ছে, বাংলাদেশ কি প্রস্তুত?

বিশ্বজুড়ে চাকরির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটছে। একসময় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ছিল ভালো চাকরি পাওয়ার অন্যতম প্রধান নিশ্চয়তা। এখন সেই ধারণা বদলে যাচ্ছে। নিয়োগকর্তারা শুধু সনদ নয়, খুঁজছেন সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান, বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে চারটি বিষয়: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় STEM (স্টেম)।
রোববার (৮ নভেম্বর) স্টেম দিবস। মূলত যুক্তরাষ্ট্রে পালিত হলেও দিনটির তাৎপর্য বাংলাদেশের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, একদিকে দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা উদ্বেগজনক, অন্যদিকে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল পাচ্ছে না। এই বৈপরীত্যই বাংলাদেশের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানব্যবস্থার অন্যতম বড় সংকট।
চাকরির বাজারে স্টেম কেন এগিয়ে?
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফিউচার অব জবস রিপোর্ট ২০২৫ অনুযায়ী, ২০৩০ সাল পর্যন্ত দ্রুত বর্ধনশীল পেশাগুলোর মধ্যে রয়েছে বিগ ডেটা, ফিনটেক ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিবেশ প্রকৌশল এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনসংশ্লিষ্ট পেশার গুরুত্ব বাড়ছে।
প্রতিবেদনটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাভাস হলো, ২০২৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে কর্মীদের বিদ্যমান দক্ষতার গড়ে ৩৯ শতাংশ পরিবর্তিত হবে কিংবা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে। অর্থাৎ শুধু চাকরি পাওয়ার জন্য নয়, চাকরিতে টিকে থাকার জন্যও নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
স্টেম শিক্ষার সুবিধা এখানেই। এটি শিক্ষার্থীকে কেবল একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের জ্ঞান দেয় না; বরং তথ্য বিশ্লেষণ, যুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান করতে শেখায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, স্নাতক শেষ করার প্রথম পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় করা তরুণদের মধ্যে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে। তাদের বার্ষিক মধ্যম আয় যথাক্রমে ৯০ হাজার, ৮৭ হাজার ও ৮৫ হাজার মার্কিন ডলার।
তবে এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য। বাংলাদেশের বেতনকাঠামো বা কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করা যাবে না। কিন্তু আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে প্রযুক্তি ও প্রকৌশল দক্ষতার অর্থনৈতিক মূল্য কতটা, তার একটি ধারণা পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের বাস্তবতা: বেকার গ্র্যাজুয়েট, অথচ দক্ষ কর্মীর সংকট
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর প্রায় ২৮ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট পাস করার তিন থেকে চার বছর পরও বেকার। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার প্রায় ২০ শতাংশ, নারীদের ক্ষেত্রে প্রায় ৩৪ শতাংশ।
আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পর্যাপ্ত দক্ষ কর্মী পাচ্ছে না। বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর ও চিপ ডিজাইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, রোবোটিকস, অটোমেশন এবং সাইবার নিরাপত্তার মতো ক্ষেত্রে দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে।
শিল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা নতুন কর্মীদের অনেককেই নিয়োগের পর অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ দিতে হচ্ছে। কারণ, তাদের তাত্ত্বিক জ্ঞান থাকলেও বাস্তব শিল্পকারখানায় কাজ করার উপযোগী দক্ষতা পর্যাপ্ত নয়।
এখানেই একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে: বাংলাদেশ কি শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরি করছে, নাকি কর্মদক্ষ জনগোষ্ঠী?
এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য যত দিন থাকবে, তত দিন একদিকে বেকারত্ব এবং অন্যদিকে দক্ষ কর্মীর সংকট পাশাপাশি চলতে থাকবে।
স্টেম শিক্ষায় বাংলাদেশ কতটা পিছিয়ে?
বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে প্রকাশিত শ্বেতপত্রের বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের মাত্র প্রায় ১২ শতাংশ স্টেমসংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়াশোনা করেন। বিপরীতে প্রায় ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থী কলা ও সামাজিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে অধ্যয়ন করেন।
এই পরিসংখ্যানের অর্থ এই নয় যে কলা, মানবিক বা সামাজিক বিজ্ঞানের গুরুত্ব কম। বরং আধুনিক অর্থনীতিতে সব শাখার জ্ঞানই প্রয়োজন। কিন্তু প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পায়নের জন্য যে পরিমাণ বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, গবেষক ও প্রযুক্তিবিদ প্রয়োজন, তার সঙ্গে উচ্চশিক্ষার বর্তমান কাঠামোর সামঞ্জস্য কতটা; সেই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে বিজ্ঞানশিক্ষার আরও কয়েকটি কাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক গবেষণাগারের অভাব, হাতে-কলমে শেখার সীমিত সুযোগ এবং পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিল্পের চাহিদার ব্যবধান রয়েছে। শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত সুযোগেও বৈষম্য বিদ্যমান।
ফলে একই দেশের দুই শিক্ষার্থী একই পরীক্ষায় অংশ নিলেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শেখার বাস্তব সুযোগ তাদের সমান নয়।

তৈরি পোশাকের পর নতুন অর্থনীতির সম্ভাবনা
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তৈরি পোশাকশিল্পের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শুধু শ্রমঘন শিল্পের ওপর নির্ভর করে এগিয়ে যাওয়া কঠিন হবে।
এখন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন, সফটওয়্যার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কৃষিপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো খাতে।
বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কিন্তু এই খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজন প্রশিক্ষিত প্রকৌশলী, গবেষক এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী।
বাংলাদেশের কৃষি খাতেও স্টেম শিক্ষার প্রয়োগ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা, বন্যা এবং খাদ্যনিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন কৃষিবিজ্ঞান, জৈবপ্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রকৌশলের সমন্বয়।
একইভাবে স্বাস্থ্যসেবায় মেডিকেল প্রযুক্তি, রোগনির্ণয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং শিল্পকারখানায় স্বয়ংক্রিয় উৎপাদনব্যবস্থা নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
তবে একটি সতর্কতাও জরুরি। স্টেমে ডিগ্রি অর্জন করলেই চাকরি নিশ্চিত নয়। বাংলাদেশে উচ্চপ্রযুক্তির শিল্প ও গবেষণাভিত্তিক কর্মসংস্থান পর্যাপ্ত হারে সম্প্রসারিত না হলে স্টেম গ্র্যাজুয়েটরাও বেকার থাকতে পারেন। তাই শিক্ষা সংস্কারের পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পায়নও প্রয়োজন।
মেয়েদের অংশগ্রহণ ছাড়া স্টেমের অগ্রগতি অসম্পূর্ণ
বাংলাদেশে মেয়েদের শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে এখনো বাধা রয়েছে।
এই বাস্তবতায় ২০২৩ সালে শুরু হওয়া ‘ শিস্টেম: ক্যারিয়ার কনৌজ নো জেন্ডার’ উদ্যোগটি উল্লেখযোগ্য। নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহযোগিতায় নেওয়া এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল স্টেমসংশ্লিষ্ট পেশায় বাংলাদেশের নারীদের অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বাড়ানো।
কিন্তু শুধু প্রশিক্ষণ দিলেই হবে না। নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সমান সুযোগ, ইন্টার্নশিপ, গবেষণায় অংশগ্রহণ এবং কর্মজীবনে অগ্রগতির সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মেয়েদের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিশিক্ষার সুযোগ বাড়ানো গেলে দেশের সামগ্রিক দক্ষ জনশক্তির ভিত্তি আরও বিস্তৃত হবে।
মুখস্থবিদ্যা থেকে উদ্ভাবনের শিক্ষায় যেতে হবে
বাংলাদেশে স্টেম শিক্ষার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সম্ভবত শিক্ষাদর্শনেই।
এখানে একজন শিক্ষার্থী পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র মুখস্থ করে পরীক্ষায় ভালো ফল করতে পারেন, কিন্তু বাস্তব জীবনের কোনো সমস্যায় সেই সূত্র কীভাবে কাজে লাগাতে হয়, তা শেখার সুযোগ অনেক সময় পান না।
গণিতকে সমস্যা সমাধানের ভাষা হিসেবে শেখানোর বদলে পরীক্ষার নম্বর অর্জনের বিষয় হিসেবে দেখা হয়। বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রেও অনেক সময় প্রশ্ন করার চেয়ে নির্ধারিত উত্তর মুখস্থ করার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অথচ স্টেম শিক্ষার মূল দর্শন হলো: প্রশ্ন করা, পরীক্ষা করা, ভুল থেকে শেখা এবং নতুন সমাধান খুঁজে বের করা।
এ জন্য প্রাথমিক পর্যায় থেকেই বিজ্ঞানভিত্তিক কৌতূহল তৈরির পাশাপাশি মাধ্যমিক স্তরে হাতে-কলমে পরীক্ষা, রোবোটিকস, প্রাথমিক কোডিং, ডেটা বিশ্লেষণ ও প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ গবেষণা, ইন্টার্নশিপ এবং বাস্তব সমস্যাভিত্তিক প্রকল্প চালু করা গেলে শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের দূরত্ব কমানো সম্ভব।
বাংলাদেশের সামনে পাঁচটি অগ্রাধিকার
স্টেম দিবসে বাংলাদেশের জন্য কয়েকটি নীতিগত অগ্রাধিকার বিশেষভাবে বিবেচনার দাবি রাখে।
- স্কুল থেকেই বিজ্ঞানচর্চা: মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, গণিতের বাস্তব প্রয়োগ ও সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
- শিক্ষক ও গবেষণাগারে বিনিয়োগ: জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যকর বিজ্ঞানাগার এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিশ্চিত করা।
- শিল্পের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ: পাঠ্যক্রম নিয়মিত হালনাগাদ, গবেষণা সহযোগিতা এবং বাধ্যতামূলক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা।
- উচ্চপ্রযুক্তির কর্মসংস্থান সৃষ্টি: সেমিকন্ডাক্টর, কৃষিপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সফটওয়্যার শিল্পে গবেষণা এবং বিনিয়োগ বাড়ানো।
- সবার জন্য স্টেমের সুযোগ: নারী, গ্রামীণ শিক্ষার্থী এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিশিক্ষা সহজলভ্য করা।

সনদ নয়, দক্ষতাই ভবিষ্যতের পুঁজি
জাতীয় স্টেম দিবস বাংলাদেশের জন্য কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গুরুত্ব স্মরণ করার উপলক্ষ নয়; এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থা, শিল্পনীতি এবং কর্মসংস্থান কৌশল নতুন করে মূল্যায়নেরও সুযোগ।
বিশ্ব যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সবুজ প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা কি শুধু এসব প্রযুক্তির ব্যবহারকারী হয়ে থাকব, নাকি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও উৎপাদনেও অংশ নেব?
দেশে শিক্ষিত তরুণের অভাব নেই; অভাব রয়েছে শিক্ষার সঙ্গে বাস্তব দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের কার্যকর সংযোগের।
এই ব্যবধান কমাতে স্টেম শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে স্টেমকে শুধু চারটি বিষয়ের সমষ্টি হিসেবে দেখলে চলবে না। এটিকে দেখতে হবে একটি চিন্তাপদ্ধতি হিসেবে যেখানে জ্ঞান, দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবন একসঙ্গে কাজ করে।
বাংলাদেশের আগামী দিনের প্রতিযোগিতা শুধু কতজন গ্র্যাজুয়েট তৈরি হলো, তা দিয়ে নির্ধারিত হবে না; নির্ধারিত হবে কতজন তরুণ নতুন প্রযুক্তি তৈরি করতে, বাস্তব সমস্যার সমাধান করতে এবং অর্থনীতিতে নতুন মূল্য সংযোজন করতে পারছেন, তা দিয়ে।
স্টেম দিবসের সবচেয়ে বড় বার্তা তাই ডিগ্রির সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষতার গভীরতা বাড়াতে হবে। কারণ ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে সনদের চেয়ে সক্ষমতার মূল্য ক্রমেই বাড়ছে।






