জবাবদিহিতার অভাবেই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের এমন দুরবস্থা, ফেডারেশনগুলো পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক কার্যালয়ে, বলছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া। এবার দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। সবগুলো ফেডারেশনকে জবাবদিহির মধ্যে নিয়ে আসতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।
চ্যানেল আইয়ের সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরের মতো ক্রীড়াঙ্গনটাও কলুষিত এবং দুর্নীতিতে জর্জরিত ছিল। এখানে এক ধরণের এক একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। কিছু কিছু ফেডারেশনে আমরা দেখছি ৩৮-৪০ বছর ধরে একজন সভাপতি পদ ধরে বসে আছে। জেলায় আট-দশ বছর ধরে কোনো টুর্নামেন্ট হচ্ছে না।’
‘আমাদের বিভাগীয় জেলা এবং উপজেলার ক্রীড়া পরিষদ গুলো সক্রিয় ছিল না, রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের অধিক্যের কারণে ক্রীড়া পরিষদগুলো অনেকটা পলিটিক্যাল পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছিল। আসলে এই সমস্যা গুলো সমাধানে ইতিমধ্যেই আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। সবগুলো ক্রীড়া পরিষদ ভেঙে দেয়া হয়েছে এবং এটাকে নতুন রূপে সাজানোর জন্য আমরা একটা রূপরেখা দিয়েছি। সেই রূপরেখার ভিত্তিতে সবগুলো ক্রীড়া পরিষদ পুনর্গঠন করা হবে। সক্রিয়ভাবে কাজ করাসহ জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।’
‘ক্রীড়াঙ্গনে একটা বড় সমস্যা ছিল কোনো স্বচ্ছতা ছিল না, এবার সেখানেই সবাইকে ফিরিয়ে হবে। সবাইকেই তার কাজের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। ইতিমধ্যেই আপনারা দেখেছেন বিসিতে পরিবর্তন শুরু হয়েছে, অন্যগুলোতেও পরিবর্তন আনতে আমরা একটা সার্চ কমেটি তৈরি করেছি। কমেটি ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে। যেখানে পরিবর্তন প্রয়োজন সেখানে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনা হবে।’








