স্ট্রোক করেছেন গায়ক তৌসিফ, মাথায় দিতে হয়েছে ২৭ সেলাই
'দূরে কোথাও আছি বসে', 'বৃষ্টি ঝরে যায়' এসব জনপ্রিয় গানের শিল্পী তৌসিফ

স্ট্রোক করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তৌসিফ আহমেদ। গত ২৯ ডিসেম্বর নিজ বাসায় জ্ঞান হারিয়ে ফ্লোরে পড়ে যান তিনি। তখন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন এই গায়ক। আঘাতে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। মাথায় ২৭টি সেলাই দিতে হয়েছে।
চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানতে পারেন তৌসিফ আহমেদ স্ট্রোক করেছেন। তিনদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বৃহস্পতিবার বাড়ি ফিরেছেন তিনি।
তৌসিফ আহমেদ বলেন, গত ২৯ ডিসেম্বর হঠাৎ করে মাথা ঘুরে পড়ে যাই। তখন মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছি। অনেক রক্ত বের হয়েছে। মাথায় ২৭টি সেলাই লেগেছে। প্রথমে ধানমন্ডির সিটি হাসপাতালে এরপর ইবনে সিনা হাসপাতালে আমাকে ভর্তি করা হয়। আগের চেয়ে একটু ভালো অনুভব করায় গতকাল বাসায় ফিরেছি।
দীর্ঘদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় আগের মতো কাজ করতে পারছেন না তৌসিফ। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, এখন আগের চেয়ে ভালো আছি, তবে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
২০২২ সালের এপ্রিলে হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল তৌসিফের। সে সময় ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে ছয় ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল তাকে। এরপর ২০২৪ সালের অক্টোবরে দ্বিতীয়বার হার্ট অ্যাটাক করেছিলেন তিনি। এরপর থেকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বাসাতেই বিশ্রামে রয়েছেন এই গায়ক। সম্প্রতি স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এই গায়ক।
সুস্থ হয়ে আবারও গানে ফিরতে চান তৌসিফ। তিনি বলেন, এভাবে কতদিন ঘর বন্দি থাকা যায়? কয়েক বছর ধরে শারীরিক অবস্থা ভালো না। কোথাও যেতে পারছি না। বাসায় থেকে তো নতুন গান করা যাবে না। গান করতে হলে সংগীত জগতে যেতে হবে। গান ছাড়া আমি ভালো নেই।
‘দূরে কোথাও আছি বসে’, ‘বৃষ্টি ঝরে যায়’, ‘এ মনের আঙিনায়’, ‘জান পাখি’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান রয়েছে তৌসিফের ঝুঁলিতে। গান গাওয়ার পাশাপাশি তিনি গান লেখেন, সুর ও সংগীতায়োজন করেন।
দেশের অডিও জগতের শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী তৌসিফের প্রথম একক অ্যালবাম ‘অভিপ্রায়’ প্রকাশিত হয় ২০০৭ সালে। মাঝে গানে সরব হলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত কয়েক বছর ধরে গানে অনিয়মিত এই শিল্পী।






