নেপালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জিতে ফিরেছে বাংলাদেশ। দলটির অন্যতম ভরসা ফরোয়ার্ড সানজিদা আক্তার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এক পোস্ট ঝড় তোলার পর প্রথমবার ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি, বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে অভিবাদন নিতে নিতে দলকে আনা হয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ভবনে।
২০২২ সালে ছাদখোলা বাসের ইচ্ছা থাকলেও এবার সেই ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। কারণ হিসেবে সানজিদা লিখেছেন, তারা নিশ্চিত ছিলেন এবারও একই ঘটনা ঘটবে। তারপর ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনার আয়োজনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীদের জন্য সারাবছর মাঠে থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সানজিদার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল।
‘ভালো করা ও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ট্রফি ধরে রাখার বিশাল চাপ নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ খেলতে যাওয়া এবং আবারও চ্যাম্পিয়ন হয়ে স্বপ্নিল এক যাত্রার সমাপ্তি। ফাইনালে প্রচুর দর্শকের চাপ সামলে স্বাগতিক মঞ্চ থেকে টানা দুইবার ট্রফি নিয়ে আসা অবশ্যই আমাদেরকে আলাদাভাবে আত্ববিশ্বাস জোগায়।’
‘এই ছবিটি বাংলাদেশে আসার মুহুর্তে উনাদের (পাইলটদের) সাথে ট্রফিসহ ক্যামেরাবন্দি হওয়া। বিমানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাইবোনদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, দেশে এসে ছাদখোলা বাস সবকিছুই আমাদেরকে আবারো ভালো খেলতে উৎসাহ জোগাবে। ২০২২ সালে পরোক্ষভাবে ছাদখোলা বাসের অভিপ্রায় থাকলেও এবার সেটি বলা হয়নি। কারণ আমরা নিশ্চিত ছিলাম এবার সেটি অনুমিতভাবেই ঘটবে।’
‘আর সেটি পেয়ে আমরা কৃতজ্ঞ। ধন্যবাদ যারা এই আয়োজনের সাথে যুক্ত ছিলেন তাদের প্রত্যেকজনকে। প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে যারা আমাদের সর্বদা সমর্থন দিয়েছেন, তাদের সবাইকে। আমাদের এই উৎসবের মুহুর্তকে জাতির সামনে তুলে ধরা ও ভবিষ্যতের জন্য আর্কাইভ করার জন্য মিডিয়ার সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ।’
‘আমরা সারাবছর মাঠে থাকতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, আমরা আরও ভালো খেলতে জানি। আমাদের সারা সিজন মাঠে থাকার কারণে যদি দর্শক আবারো গ্যালারিতে আসে দিনশেষে সেটি দেশের ফুটবলের লাভ। কারণ আমরা যাই কিছু করি, সবটুকু দর্শকদের জন্য। আমরা মাঠে থাকতে চাই, এদেশের সকল ফুটবলপ্রেমী মানুষদের জন্য। রোদকে উপেক্ষা করে যেসকল ছোট বাচ্চারা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছিলো আমাদের একনজর দেখার জন্য, সেই সকল নিষ্পাপ চেহারাগুলোর জন্য।’








