শুরুটা হয়েছিল রেডিও উপস্থাপকের মাধ্যমে। বেশ কয়েক বছর সুনামের সাথে কাজও করেছেন। কাজের ফাঁকে লিখেছেন গল্প-কবিতা যেগুলো ভারত বাংলাদেশের এক হাজারের বেশি পাঠক আবৃত্তি করেছেন এবং অতিক্রম করেছে মিলিয়ন ভিউ। লেখার নেশা এখনও আছে, বই প্রকাশ করতে চান কোন একদিন, তবে এ মুহূর্তে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ফটোগ্রাফিতে।
সময় পেলে ছবি তোলেন। ছুটে যান গ্রামের পর গ্রাম আর উপকূলের বিপন্ন জনপদে। প্রকৃতিকে ভালোবেসে ছবি তোলেন। তার সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কয়েকবার ভাইরাল হয়েছে, এছাড়াও তার তোলা ছবি বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ক্যালেন্ডারে স্থান পেয়েছে। এমনই গল্প রাসেল উদ্দিনের। যিনি আরজে রাসেল নামে সর্বমহলে বেশ পরিচিত।
নোয়াখালী জেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়ার বাসিন্দা এই তরুণ। স্বপ্ন দেখন একদিন প্রতিষ্ঠিত ফটোগ্রাফার হবেন। বর্তমানে ভোলার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘গ্রামীন জন উন্নয়ন সংস্থায় (জিজেইউএস) কর্মরত আছেন। এর আগে রেডিও সাগরদ্বীপ ৯৯.২ সিনিয়র ভয়েজ আটিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমান কর্মস্থলে বিভিন্ন ডকুমেন্টরির ভয়েজ দিয়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন রাসেল উদ্দিন।
এই তরুণ ফটোগ্রাফারের ‘ফটোগ্রাফিতে’ বাস্তব প্রশিক্ষণ না থাকলেও ছবি তুলতে তুলতে হয়ে উঠেছেন একজন দক্ষ ফটোগ্রাফার। এখন ছবি তোলাই তার নেশা। যখন যেখানে যান ছবি তোলেন। ফটোগ্রাফির মাধ্যমে হয়ে উঠতে চান অন্যতম ফটোগ্রাফার। তার তোলা ছবি মন ছুয়ে যায় প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা।
রাসেল উদ্দিন বলেন, ছবি তুলতে আমার ভীষণ ভালো লাগে, যখন যেখানে যাই ছবি তুলি। ফটোগ্রাফার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করি সেই স্বপ্ন একদিন পূরণ হবে।







