মুশফিক-শান্ত নাকি ‘বিশ্বজয়ী’ আকবর, মধুর সমস্যায় রাজশাহী

বাঁ থেকে- আকবর আলী, মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর সামনে রেখে নাজমুল হোসেন শান্তকে সরাসরি চুক্তিতে দলে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এরপর নিলাম থেকে মুশফিকুর রহিম ও আকবর আলীকে দলে নেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তিনজনই দলটির নেতৃত্বের দৌড়ে আছেন। ফলে অধিনায়কত্ব নিয়ে মধুর সমস্যায় আছে রাজশাহী।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের তিন ফরম্যাটে নেতৃত্ব দেয়া শান্ত বর্তমানে টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্বে আছেন। মুশফিক দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এবং জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। অন্যদিকে আকবরের নেতৃত্বে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতেছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি ঘরোয়া লিগেও নেতৃত্বে অনেকটা সফল আকবর। সে কারণেই মূলত অধিনায়কত্ব নিয়ে মধুর সমস্যায় রাজশাহী।
আগামী ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে গড়াবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর। ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটি সামনে রেখে অনুশীলন শুরু করেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। শনিবার মিরপুরে বিসিবির একাডেমি মাঠে অনুশীলন সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন দলটির প্রধান কোচ হান্নান সরকার। সেখানে অধিনায়কত্ব নিয়ে আসা প্রশ্নের উত্তরে এমন জানান তিনি।
বলেছেন, ‘আমাদের কিন্তু বেশ ভালো কিছু প্রার্থী রয়েছে। মুশফিক-শান্ত রয়েছে এমনকি আকবরও কিন্তু ভালো অধিনায়ক। মানে প্রমানিত অধিনায়ক, দলের ফলাফলের জায়গা থেকে থেকে যদি চিন্তা করি। সুতারং অধিনায়কত্ব নিয়ে খুব ভালো একটা মধুর সমস্যা আছে। আপনারা আজকে হয়তো জানতে পারবেন, আজকে না হলে কালকের মধ্যে অবশ্যই আপনারা জানবে যে আমাদের অধিনায়ক কে হচ্ছে।
শুধু অধিনায়কত্বেই একাধিক প্রার্থী নয়, উইকেটরক্ষক নিয়ে মধুর সমস্যায় দলটি। একদিকে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম, অন্যদিকে আকবরও আছেন। হান্নান সরকার অবশ্য জানালেন, উইকেটের পেছনে মুশফিককে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবেন তারা।
বলেছেন, ‘এটা আসলে সময় বলে দিবে। তবে দলের সমন্বয়ে স্বাভাবিকভাবেই মুশফিক একটু বিশেষ গুরুত্বে থাকবেন। কারণ, আমরা জানি মুশফিক কিপিংটা অনেক বেশি উপভোগ করেন। মানে ফিল্ডিংয়ের চেয়ে কিপিংটা যদি করেন, তখন তিনি অনেক সক্রিয় থাকেন। আর মুশফিকের মতো একজন কিপার যদি উইকেটের পেছনে থাকে যেকোনো বোলার বা দলকে পরিচালনা হয়ে যায় অধিনায়কের জন্য।’
‘আর মুশফিক যদি অধিনায়ক হয় নিশ্চিতভাবেই উইকেটের পিছন থেকে সে গাইড দিতে পারবেন। করতে পারবে। যদি অন্য কেউ অধিনায়ক হয় সেখানেও কিন্তু মুশফিকের সেই দিকনির্দেশনা পাবে। সুতারং আমার মনে হয়, মুশফিক কিপিং এ নিশ্চিতভাবেই উপভোগ করে। যদি সে কিপিং করতে চায় ম্যাচে তার গুরুত্বটা বেশি থাকবে। আর আকবর যদি খেলে স্বাভাবিকভাবে আকবরও কিন্তু সেখানে কিপিং এর জন্য যথেষ্ট যোগ্যতা সম্পূর্ণ। এখানে বিষয়টা নির্ভর করছে যে মুশফিক কিভাবে চিন্তা করছে, এটা আমরা ম্যাচের আগেই সিদ্ধান্ত নিব।’






