ছাত্রজনতার অংশগ্রহণ ও ঐক্যমতের ভিত্তিতে ছায়া সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। প্রতিবাদ সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে রাবির সমন্বয়ক ফাহিম রেজা দাবিগুলোর ঘোষণা দেন।
আজ সোমবার (১১ নভেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টায় রাজশাহী তালাইমারি মোড়ে ‘ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং ছাত্র-জনতার অংশীদারিত্ববিহীন সিদ্ধান্তে উপদেষ্টা নিয়োগ’ প্রতিবাদ সমাবেশে এই দাবিসহ মোট ৩টি দাবি জানান তারা। তাদের দাবিগুলো হচ্ছে, এক কেন্দ্রীকতা বাদ দিয়ে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। এই আন্দোলনের সমস্ত অংশীদারদের রাষ্ট্র গঠনে সমানভাবে সুযোগ দিতে হবে। ছাত্র জনতার মতামত না নিয়ে উপদেষ্টা নিয়োগের জবাবদিহিতা করতে হবে। কোন প্রক্রিয়ায়, কোন আধার ঘরে সচিবালয়ে উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয় অবিলম্বে তা জাতির সামনে স্পষ্ট করতে হবে।
সমাবেশে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক গোলাম কিবরিয়া মোহাম্মদ মেশকাত চৌধুরী বলেন, নতুন এই দেশ গড়তে আমাদের দায়বদ্ধতা শহিদ ভাইদের প্রতি। কোন সরকারের প্রতি না। এছাড়া সরকার গঠনের ক্ষেত্রে একটি শহর বা একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীকতা দেখা দিয়েছে। এগুলো অতিদ্রুত বন্ধ করতে হবে। আমরা ছাত্রজনতা রাজপথে আছি। এগুলো বন্ধ করেই আমরা ঘরে ফিরব।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষক ও মানবাধিকারকর্মী রাশেদ রাজন বলেন, বিপ্লবে ছাত্র থেকে শুরু করে কৃষক, শ্রমিক, রিকশাওয়ালা ভাইয়েরা যোগদান করেছে। আপামর জনতার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই এই বিপ্লব সফল হয়েছে। অথচ ফারুকীর মতো ফ্যাসিবাদের দোসরকে উপদেষ্টা পরিষদে বসানো হয়েছে। আমাদের সংগ্রাম ততদিন পর্যন্ত চলবে যতদিন আমরা স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক আপামর জনতার বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাবির সমন্বয়ক ফাহিম রেজার সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন রাবির সমন্বয়ক মাহায়ের ইসলাম ও সালাউদ্দীন আম্মার প্রমুখ। প্রতিবাদ সমাবেশে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহীর সমন্বয়ক এম এ বারি, সোহাগসহ নগরীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।








