কুড়িগ্রামে কয়েকদিন ধরে শীত ও ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। এতে করে সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছেন। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতল বাতাসে বাড়ছে কাঁপুনি। গত কয়েকদিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কষ্ট বেড়েছে চরাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের দিনমজুররা বলেন, শীতের কারণে সকালে কাজে যেতে সময় লাগে। ঠান্ডায় হাত-পা চালাতে কষ্ট হয়, তবু কাজ না করে উপায় নেই।
নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ভিতরকুটি গ্রামের রাস্তার ধারে সরকারি জায়গায় বসবাসকারী বাছন বেওয়া বলেন, এই শীতে রাতে কাঁথায়ও ঠাণ্ডা লাগে। কোথাও থেকে কম্বল পেলাম না।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা খায়রুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত ঠান্ডায় আমার ছেলের কয়েকদিন ধরে ডায়রিয়া শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। কিছু রোগী হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। আবার কিছু কিছু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন জানান, ৯টি উপজেলায় ২৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ চলছে এবং নগদ ৪০ লাখ টাকা মজুদ আছে।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, রোববার সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।







