ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)কে নিয়ে কটুক্তিমূলক মন্তব্য করায় বিতর্কিত অনলাইন এক্টিভিস্টদের শাস্তিমূলক বিচার ও ফাঁসির দাবিতে ঢাকায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করে বিভিন্ন বয়সী ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা।
সিলেট জালালাবাদ কলেজ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন মুফতি মাওলানা আতাউর রহমান, হাফেজ মিজানুর রহমান, জালালাবাদ কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী রুবেল মিয়াসহ বহু মুসল্লী।
এসময় বক্তারা বলেন, বিদেশ বসে কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষী এক্টিভিস্ট সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে ইসলাম এবং প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে নানা কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। যা কোটি কোটি ইসলামপ্রিয় তৌহিদী জনতার অন্তরে আঘাত দিচ্ছে। এসময় বিতর্কিত প্রবাসী লেখক ও অনলাইন এক্টিভিস্ট সালমান আহমেদ, শফিউর রহমান ও জানেফা খানম এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন তারা।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের কতিপয় ব্যক্তি যারা বর্তমানে বিদেশে পালিয়ে আছে, তারা শফিউর রহমান, এমএসটি জাকেরা খানম জাকারা, এবং সালমান আহমেদ ফেইসবুক আইডি ব্যবহার করে নানা সময় ধর্মীয় উস্কানিমুলক লেখা ও মন্তব্য করেই যাচ্ছে, যা এদেশের কোটি কোটি মুসলিম সমাজকে ব্যথিত ও বিক্ষুব্ধ করে তুলেছে। তাদের নাম মুসলমান সাদৃশ্য হলেও তারা প্রকৃতপক্ষে নাস্তিক। আরেক কুলাঙ্গার ও বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনেরই অনুসারী। তাদের পরিণতিও তসলিমা নাসরিনের মতোই হবে বলেও হুশিয়ারি দেন তারা।
এসব প্রবাসী নাস্তিকরা বিদেশের মাটিতে বসে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম ও মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে একের পর এক রুচি পূর্ণ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। যা এদেশের কোটি কোটি মুসলিম সমাজকে ব্যথিত ও বিক্ষুব্ধ করে তুলেছে। তারা জনরোষের ভয়ে বিদেশে পালিয়ে গিয়ে এখন অনলাইনে ধর্ম অবমাননা করে নানা মন্তব্য করছেন।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, সালমান ও শফিউরের মতো কিছু নাস্তিক এক্টিভিস্ট সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের পায়তারা করছে। তাই দ্রুত এদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, অতীতে অন্যান্য ধর্ম অবমাননাকারী নাস্তিকদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হওয়ায় নিত্য নতুন নাস্তিক ও মুরতাদের জন্ম হচ্ছে। তাই শান্তির ধর্ম ইসলাম ও ইসলামের সুমহান আদর্শ নিয়ে যারাই কটুক্তিপূর্ণ বক্তব্য দিবে বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা করবে তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সরকারকে অনুরোধ কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাদের ফাঁসি দিতে হবে। প্রয়োজনে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলের সহযোগিতা নেওয়ার কথা বলেন তারা।










