নিবন্ধন সনদধারীদের অবিলম্বে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রস্তাবের বিরোধিতা করে তা বন্ধের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ১-১২তম শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে চাকরি প্রত্যাশীরা।
বৃহস্পতিবার ইস্কাটনে এনটিআরসিএর প্রধান কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
১ম-১২তম চাকরি প্রত্যাশীরা বলছে, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনি ও ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেল গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে শুধু ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়নি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান সহ সকল কর্মচারী একসাথে যোগসাজশে যে চরম নির্লজ্জ দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি করেছে।
এক চাকরি প্রত্যাশী বলেন, একজনের সনদ অন্য জনে ব্যবহার করে চাকরি করছেন। অর্থাৎ যিনি পাস করছেন তার রোল নম্বর ভিন্ন ব্যক্তি ব্যবহার করছেন। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে সাবেক এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান এনামুল কাদের স্বীকার করেছেন ৬০ হাজারের বেশি জাল সনদ ধারী নিয়োগ পেয়েছে। আমাদের হিসেবে এই সংখ্যা কয়েকগুণ হবে। জনপ্রতি জাল সনদ ২ লক্ষ ও এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি দিতে ৬/৮ লক্ষ টাকায় চাকরি দিয়েছেন। তাদের হিসেবে ৪৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি বাণিজ্য করেছেন।
আরেক চাকরি প্রত্যাশী জানান, জাতীয় সংসদে মহিবুল হাসান নওফেল বলেছেন ৯৯ হাজার বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এ বছর। অথচ ৩১ মার্চ, ২০২৪ ইং তারিখে যে বিঞ্জপ্তি দিয়ে সুপারিশ করছে তাতে ২০/২২ হাজার শিক্ষক সুপারিশ পেয়েছে বাকী ৭৭/৭৮ হাজার শিক্ষক গোপনে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছেন এটা স্পষ্ট। কখনও ৩৫ এর বেশি বয়সের কাওকে চাকরি দিবে না বলা হলেও ৪র্থ গণবিঞ্জপ্তিতে ১ম-৫ম ব্যাচের ৪৪০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যাদের কারোরই বয়স ৩৫ এর নীচে হবে না। অথচ আমরা যখন পাস করেছি তখন কারোরই বয়স ৩০ বছর হয়নি। এমনকি ১২/৬/২০১৮ ইং তারিখের আগে যারা পাস করেছি সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী তাদের বয়স আজীবন বলবৎ থাকবে।







