আগামী চার বছরের জন্য লভ্যাংশ বণ্টন পদ্ধতি ঠিক করেছে আইসিসি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সূত্র অনুযায়ী, সর্বশেষ চক্রের চেয়ে বিসিসিআইয়ের লভ্যাংশ বেড়েছে ৭২ শতাংশ। আইসিসির মোট আয়ের ৩৮.৫ শতাংশ পাবে ভারত। অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড পাবে ৫.৭৫ শতাংশ, যা মানতে পারছে না পিসিবি।
পিসিবি বলছে, ‘গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আইসিসির সভাগুলোতে সাংবিধানিক অধিকার অনুসারে আমরা চেষ্টা করছি বিষয়গুলো জানার। এভাবে বণ্টন কতটা যৌক্তিক, তা আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য আরও কিছু অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছি।’
‘আমাদের মনে হচ্ছে, এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্তে কিছু ঘাটতি রয়েছে। এরকম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়।’
ভোটের মাধ্যমে এই বিষয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত চেয়েছিল পিসিবি। তবে সংস্থাটির সভায় অন্য সদস্য দেশগুলো তা মেনে না নেয়ায় ভোট প্রক্রিয়ায় যায়নি ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
নতুন রাজস্ব মডেলের সঙ্গে একমত না হলেও অবশ্য আগের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করবে পিসিবি। আইসিসির দেয়া রেভিনিউ মডেল অনুযায়ী, এই আয় বণ্টন পদ্ধতি ২০২৪-২৭ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তাতে বার্ষিক ২৩০ মিলিয়ন ডলার পাবে ভারত, বিপরীতে পিসিবি পাবে ৩৫.৫১ মিলিয়ন।
আইসিসির এই আয় বণ্টন পদ্ধতির সমালোচনা করছে অনেকেই। এমন সিদ্ধান্তে ভারতের পক্ষে এবং অন্যান্য দেশগুলোর প্রতি অবিচার করা হচ্ছে বলেও কথা উঠেছে। আইসিসি বলছে, পদ্ধতিটি ন্যায্য এবং এটি ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় দেশগুলোকে তাদের অবদানের জন্য পুরস্কৃত করবে।







