বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতি সহায়ক, অনৈতিক, বৈষম্যমূলক ও অসাংবিধানিক বলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এটি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (০৬ জুন) বিকেলে সংসদে বাজেট উত্থাপনের পর সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে টিআইবি এই আহ্বান জানায়।
সংস্থাটির দাবি, মাত্র ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার এই সুবিধা সৎ ও বৈধ আয়ের ব্যক্তি করদাতাকে নিরুৎসাহিত করবে। পাশাপাশি অপ্রদর্শিত সম্পদের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন করার সুযোগ না রাখায় দেশে দুর্নীতি সহায়ক পরিবেশ তৈরি হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
এমন বাস্তবতায় কালো টাকা সাদা করার ঢালাও সুযোগ বাতিল করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে টিআইবি।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কালোটাকা সাদা করার এমন সুযোগ দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়ার মাধ্যমে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জন করতে যেন সরকারিভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সরকার দায়মুক্তির নিশ্চয়তা দিয়ে প্রকারান্তরে নাগরিককে দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
রাজস্ব বাড়ানোর খোঁড়া যুক্তিতে দুর্নীতি ও অনৈতিকতার গভীর ও ব্যাপকতর বিকাশকে স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত করা হচ্ছে বলে মনে করেন ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, দুর্নীতিকে লাইসেন্স দেওয়ার এই প্রক্রিয়া চিরতরে বন্ধ হবে।
কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বাতিলের দাবি জানিয়ে টিআইবির বিবৃতিতে বলা হয়, এমন সুবিধা সৎ ও বৈধ আয়ের ব্যক্তি করদাতাকে নিরুৎসাহিত করবে। পাশাপাশি এর আওতায় ঘোষিত অর্থসম্পদের ব্যাপারে কোনো কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন করার সুযোগ না রাখা, দেশে দুর্নীতিসহায়ক পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
কালোটাকার মালিকদের সম্পদের উৎস অনুসন্ধানের মাধ্যমে কার্যকর জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।







